
প্রকাশ: ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯, ০:১৪
পেন্ডুলামের মতো বারবার দুলেছে ম্যাচের গতিপ্রকৃতি। কখনও চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স, আবার কখনও কর্তৃত্ব প্রকাশ করেছে কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স। অধিনায়ক ডেভিড মালানের ব্যাটে কুমিল্লা যখন জয়ের বন্দরে এগিয়ে যাচ্ছিলো, তখনই চট্টগ্রামের পক্ষে বল হাতে জ্বলে উঠলেন রুবেল হোসেন-রায়ান বার্লরা। কুমিল্লার হাতের মুঠোয় থাকা ম্যাচ দুই ওভারেই ঘুরিয়ে দেন বার্ল ও রুবেল। মনে হচ্ছিলো সহজ জয় পেতে যাচ্ছে চট্টগ্রাম। তখনও বাকি ছিলো ম্যাচের নাটকীয়তা। বিশ্বকাপজয়ী পেসার লিয়াম প্লাংকেটের বিপক্ষে সাহসী ব্যাটিংয়ের প্রদর্শনী করেন পেস বোলিং অলরাউন্ডার আবু হায়দার রনি।
আর তাতেই সহজ জয়ের ম্যাচ কঠিন করে হলেও জিতে নেয় কুমিল্লা। ম্যাচে তাদের জয়ের বড় কৃতিত্ব দিতে হবে আফগান অফস্পিনার মুজিব উর রহমানকেও। একদম শেষ বলে ৩ রানের চাহিদায় মিড উইকেট দিয়ে বাউন্ডারি মেরেই ৩ উইকেটের শ্বাসরুদ্ধকর জয় নিশ্চিত করেন মুজিব। দুই দলের আগের মুখোমুখি লড়াইয়ে চলতি আসরের সর্বোচ্চ ২৩৮ রানের সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছিল চট্টগ্রাম। দ্বিতীয় সাক্ষাতে বড় সংগ্রহের আভাস দিয়েও তারা থেমে গেছে ১৫৯ রানে। যা তাড়া করতে আবার ইনিংসের একদম শেষ বল পর্যন্ত খেলেছে কুমিল্লা। অধিনায়ক ডেভিড মালানের ঝড়ো ইনিংসের পর রনি ও মুজিবের বীরত্বের শীর্ষে থাকা চট্টগ্রামকে হারিয়েছে কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স।
চট্টগ্রামের পক্ষে এ চ্যালেঞ্জ নিতে এগিয়ে আসেন বিশ্বকাপজয়ী পেসার প্লাংকেট। সামনে স্ট্রাইকে ছিলেন ৪৯ বলে ৭২ রান করা মালান। তবে প্রথম বলে ১ রানের বেশি নিতে পারেননি মালান। যার ফলে পরের ৫ বলের জন্য স্ট্রাইকে চলে আসেন আবু হায়দার রনি। যার ব্যাটিং সামর্থ্য সম্পর্কে খুব একটা ধারণা ছিলো না প্লাংকেটের।

ইনিউজ ৭১/টি.টি. রাকিব