
প্রকাশ: ১৫ মার্চ ২০২০, ১৭:২

সিসি ক্যামেরা বসিয়েও অনিয়ম রুখতে পারছি না। এটা ভয়াবহ ব্যাপার।’ গত বছরের ২ ডিসেম্বর আপিল বিভাগের একটি মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন সুপ্রিম কোর্ট অঙ্গনের অনিয়ম নিয়ে এভাবেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন।সেদিন একটি মামলার শুনানির সময় অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম অভিযোগ করেন, ‘একটি মামলা আজ তিন নম্বর সিরিয়ালে থাকার কথা। কিন্তু অদৃশ্যভাবে তা ৮৯ নম্বরে গেছে।‘ তিনি আরও বলেন, ‘অনেকেই মামলার তালিকা ওপর-নিচ করে কোটিপতি হয়ে গেছেন।’

কমিশনারের পিয়নকে দিয়ে করতে হলে দিতে হবে ১০০-২০০ টাকা। কোর্টে মামলা জমা দেওয়ার জন্য ৫০০ থেকে ৫০০০, ক্ষেত্রবিশেষে টাকার পরিমাণ আরও বাড়াতে হয়। আদেশের কপি টাইপের জন্য দিতে হয় কমপক্ষে এক হাজার বা তার বেশি। কোনো কোনো কোর্টে আরও বেশি। এমনও কিছু বেঞ্চ আছে, যেখানে অফিসাররা ১০০০ টাকার নিচে নেন না। ক্ষ্ত্রেবিশেষে দিতে হয় ৩ থেকে ৫ হাজার টাকা। আদেশ হওয়ার পরই সংশ্লিষ্ট আইনজীবীর কাছে ছুটে আসেন বিচারপতির আরদালি। তাকে দিতে হয়ে ১০০ থেকে ৫০০ টাকা। তারা এটাকে বলেন বকশিস।
হাইকোর্টে আসে বাসে। কিন্তু বাইরে গাড়ি চালায়।’মামলার দাপ্তরিক কাজের বিভিন্ন স্তরে কর্মচারীদের অনৈতিক লেনদেনের বিষয়ে জানতে চাইলে সুপ্রিম কোর্টের স্পেশাল অফিসার সাইফুর রহমান ঢাকা, সুপ্রিম কোর্টে অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থাপ নেওয়া শুরু হয়েছে। প্রধান বিচারপতি মাঝেমধ্যে পরিদর্শন করেন। কেউ আমাদের কোনো দুর্নীতির বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দিলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিচ্ছি। সম্প্রতি একটি অনিয়মের কারণে আপিল বিভাগের অ্যাফিডেভিট শাখার অনেককে বদলি করা হয়েছে।’