
প্রকাশ: ২১ জুলাই ২০২৬, ১৯:৪০

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায় ফলন আসার ঠিক আগমুহূর্তে একটি কমলা বাগান উচ্ছেদ করায় চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন নারী উদ্যোক্তা মোছা. সালমা বেগম। দীর্ঘ আট বছরের শ্রম, বিনিয়োগ ও ভবিষ্যতের স্বপ্ন মুহূর্তেই ভেঙে যাওয়ায় পরিবারটি এখন ঋণের বোঝা নিয়ে দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছে।
সরেজমিনে উপজেলার রাজকান্দি বন রেঞ্জের আদমপুর বন বিটের কালিঞ্জি এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, বাগানজুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে কেটে ফেলা কমলা গাছের ডালপালা। কয়েক মাস পরই গাছগুলোতে বাণিজ্যিকভাবে ফল সংগ্রহের প্রস্তুতি নেওয়ার কথা ছিল বলে জানায় পরিবারটি।
ভুক্তভোগী সালমা বেগমের দাবি, আট বছর আগে তিনি ও তাঁর স্বামী প্রায় ১ হাজার ২০০টি কমলা গাছ রোপণ করেন। বাগান গড়ে তুলতে বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকা বিনিয়োগ করা হয়। চলতি মৌসুমে প্রায় ২৫ থেকে ২৬ লাখ টাকার কমলা বিক্রির আশা করেছিলেন তারা।
পরিবারটির অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বন বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তাকে মাসোহারা দেওয়ার পরও এবার আর্থিক সংকটের কারণে তা দিতে না পারায় কোনো পূর্ব নোটিশ ছাড়াই বাগান উচ্ছেদ করা হয়েছে। অভিযানের সময় সেচ কাজে ব্যবহৃত একটি পানির মেশিনও ভাঙচুর করা হয়েছে বলেও তারা দাবি করেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, যদি বাগানটি অবৈধ হয়ে থাকে, তাহলে রোপণের শুরুতেই কেন আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হলো না। ফল ধরার সময় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করায় এলাকায় নানা আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে বন বিভাগ। রাজকান্দি রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক ও রেঞ্জ কর্মকর্তা প্রীতম বড়ুয়া বলেন, সংরক্ষিত বনাঞ্চলে যেকোনো ধরনের জবরদখল আইনবিরোধী। বনের জমি পুনরুদ্ধার এবং বনায়নের স্বার্থেই নিয়মিত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। মাসোহারা গ্রহণের অভিযোগের বিষয়ে লিখিত প্রমাণ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
এদিকে সিলেট বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুর রহমান বলেন, সংরক্ষিত বনের পাহাড় বা টিলায় ফলের বাগান করার কোনো আইনি অনুমতি নেই। সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী এসব জমি বনায়নের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। তাই অবৈধভাবে গড়ে ওঠা বাগান উচ্ছেদ করে জমি পুনরুদ্ধার করা হয়েছে।
ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। একদিকে বন সংরক্ষণে আইন প্রয়োগের বিষয়টি সামনে এসেছে, অন্যদিকে দীর্ঘদিনের বিনিয়োগ হারিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটির পুনর্বাসন ও অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিও জোরালো হচ্ছে
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায় ফলন আসার ঠিক আগমুহূর্তে একটি কমলা বাগান উচ্ছেদ করায় চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন নারী উদ্যোক্তা মোছা. সালমা বেগম। দীর্ঘ আট বছরের শ্রম, বিনিয়োগ ও ভবিষ্যতের স্বপ্ন মুহূর্তেই ভেঙে যাওয়ায় পরিবারটি এখন ঋণের বোঝা নিয়ে দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছে।
সরেজমিনে উপজেলার রাজকান্দি বন রেঞ্জের আদমপুর বন বিটের কালিঞ্জি এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, বাগানজুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে কেটে ফেলা কমলা গাছের ডালপালা। কয়েক মাস পরই গাছগুলোতে বাণিজ্যিকভাবে ফল সংগ্রহের প্রস্তুতি নেওয়ার কথা ছিল বলে জানায় পরিবারটি।
ভুক্তভোগী সালমা বেগমের দাবি, আট বছর আগে তিনি ও তাঁর স্বামী প্রায় ১ হাজার ২০০টি কমলা গাছ রোপণ করেন। বাগান গড়ে তুলতে বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকা বিনিয়োগ করা হয়। চলতি মৌসুমে প্রায় ২৫ থেকে ২৬ লাখ টাকার কমলা বিক্রির আশা করেছিলেন তারা।
পরিবারটির অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বন বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তাকে মাসোহারা দেওয়ার পরও এবার আর্থিক সংকটের কারণে তা দিতে না পারায় কোনো পূর্ব নোটিশ ছাড়াই বাগান উচ্ছেদ করা হয়েছে। অভিযানের সময় সেচ কাজে ব্যবহৃত একটি পানির মেশিনও ভাঙচুর করা হয়েছে বলেও তারা দাবি করেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, যদি বাগানটি অবৈধ হয়ে থাকে, তাহলে রোপণের শুরুতেই কেন আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হলো না। ফল ধরার সময় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করায় এলাকায় নানা আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে বন বিভাগ। রাজকান্দি রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক ও রেঞ্জ কর্মকর্তা প্রীতম বড়ুয়া বলেন, সংরক্ষিত বনাঞ্চলে যেকোনো ধরনের জবরদখল আইনবিরোধী। বনের জমি পুনরুদ্ধার এবং বনায়নের স্বার্থেই নিয়মিত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। মাসোহারা গ্রহণের অভিযোগের বিষয়ে লিখিত প্রমাণ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
এদিকে সিলেট বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুর রহমান বলেন, সংরক্ষিত বনের পাহাড় বা টিলায় ফলের বাগান করার কোনো আইনি অনুমতি নেই। সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী এসব জমি বনায়নের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। তাই অবৈধভাবে গড়ে ওঠা বাগান উচ্ছেদ করে জমি পুনরুদ্ধার করা হয়েছে।
ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। একদিকে বন সংরক্ষণে আইন প্রয়োগের বিষয়টি সামনে এসেছে, অন্যদিকে দীর্ঘদিনের বিনিয়োগ হারিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটির পুনর্বাসন ও অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিও জোরালো হচ্ছে।
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায় ফলন আসার ঠিক আগমুহূর্তে একটি কমলা বাগান উচ্ছেদ করায় চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন নারী উদ্যোক্তা মোছা. সালমা বেগম। দীর্ঘ আট বছরের শ্রম, বিনিয়োগ ও ভবিষ্যতের স্বপ্ন মুহূর্তেই ভেঙে যাওয়ায় পরিবারটি এখন ঋণের বোঝা নিয়ে দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছে।
সরেজমিনে উপজেলার রাজকান্দি বন রেঞ্জের আদমপুর বন বিটের কালিঞ্জি এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, বাগানজুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে কেটে ফেলা কমলা গাছের ডালপালা। কয়েক মাস পরই গাছগুলোতে বাণিজ্যিকভাবে ফল সংগ্রহের প্রস্তুতি নেওয়ার কথা ছিল বলে জানায় পরিবারটি।
ভুক্তভোগী সালমা বেগমের দাবি, আট বছর আগে তিনি ও তাঁর স্বামী প্রায় ১ হাজার ২০০টি কমলা গাছ রোপণ করেন। বাগান গড়ে তুলতে বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকা বিনিয়োগ করা হয়। চলতি মৌসুমে প্রায় ২৫ থেকে ২৬ লাখ টাকার কমলা বিক্রির আশা করেছিলেন তারা।
পরিবারটির অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বন বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তাকে মাসোহারা দেওয়ার পরও এবার আর্থিক সংকটের কারণে তা দিতে না পারায় কোনো পূর্ব নোটিশ ছাড়াই বাগান উচ্ছেদ করা হয়েছে। অভিযানের সময় সেচ কাজে ব্যবহৃত একটি পানির মেশিনও ভাঙচুর করা হয়েছে বলেও তারা দাবি করেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, যদি বাগানটি অবৈধ হয়ে থাকে, তাহলে রোপণের শুরুতেই কেন আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হলো না। ফল ধরার সময় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করায় এলাকায় নানা আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে বন বিভাগ। রাজকান্দি রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক ও রেঞ্জ কর্মকর্তা প্রীতম বড়ুয়া বলেন, সংরক্ষিত বনাঞ্চলে যেকোনো ধরনের জবরদখল আইনবিরোধী। বনের জমি পুনরুদ্ধার এবং বনায়নের স্বার্থেই নিয়মিত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। মাসোহারা গ্রহণের অভিযোগের বিষয়ে লিখিত প্রমাণ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
এদিকে সিলেট বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুর রহমান বলেন, সংরক্ষিত বনের পাহাড় বা টিলায় ফলের বাগান করার কোনো আইনি অনুমতি নেই। সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী এসব জমি বনায়নের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। তাই অবৈধভাবে গড়ে ওঠা বাগান উচ্ছেদ করে জমি পুনরুদ্ধার করা হয়েছে।
ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। একদিকে বন সংরক্ষণে আইন প্রয়োগের বিষয়টি সামনে এসেছে, অন্যদিকে দীর্ঘদিনের বিনিয়োগ হারিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটির পুনর্বাসন ও অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিও জোরালো হচ্ছে।