
প্রকাশ: ১ জুন ২০২৪, ১:৪৯

বাজারে সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় এক সপ্তাহের ব্যবধানে দিনাজপুরের হাকিমপুর হিলিতে ব্রয়লারসহ সব মুরগির দাম কমেছে কেজিতে ২০-৪০ টাকা। কমেছে সব জাতের মুরগির দাম। প্রতি কেজি দেশি মুরগি ৫৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও আজ বিক্রি হচ্ছে ৫২০ টাকা কেজি দরে। একইভাবে কমেছে ব্রয়লারসহ পাকিস্তানি মুরগির দাম।
ক্রেতারা বলছেন, ব্রয়লার ও পাকিস্তানি মুরগির দাম কেজিতে ২০ থেকে ৪০ টাকা কমেছে। তবে দেশি মুরগির দাম আর একটু কমলে আমাদের জন্য সুবিধা হতো। আর বিক্রেতারা বলছেন, কোরবানির ঈদের আগে হয়তো খামরিরা কম দামে ব্রয়লার ও পাকিস্তানি মুরগি বাজারে ছেড়ে দিচ্ছেন। তাই সরবরাহ বেড়েছে। একই সঙ্গে বেড়েছে দেশি মুরগিরও সরবরাহ। তাই দাম কমেছে।শনিবার (১ জুন) হিলি মুরগি বাজার ঘুরে এমন তথ্য পাওয়া।
হিলি বাজারে ব্রয়লার মুরগির কিনতে আসা শাহারিয়ার রক্তিম বলেন, আমি মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। আমরা প্রায় সপ্তাহে একদিন ব্রয়লার মরগি কিনি। গত সপ্তাহে প্রতিকেজি ব্রয়লার মুরগির কিনেছিলাম ১৯০ টাকা কেজি দরে। আর আজ কিনলাম ১৭০ টাকা কেজি দরে। কেজিতে ২০ টাকা দাম কমেছে। এছাড়া পাকিস্তনি মুরগির কেজি ছিল ৩২০ টাকা। আজ বিক্রি হচ্ছে ২৮০ টাকা কেজি দরে।
বাজারে আরেক ক্রেতা সজিব মিয়া বলেন, দেশি মুরগি ৫৫০ টাকা কেজি ছিল। আজ কেজিতে ৩০ টাকা কমে প্রতি কেজি ৫২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আমি এককেজি একটু বেশি ওজনের মুরগি ৬০০ টাকা দিয়ে কিনলাম।

কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি

হিলি বাজারের মুরগি ব্যবসায়ী ও বিক্রেতা ফারুক হোসেন বলেন, আমরা খামারিদের কাছ থেকে মুরগি কিনে বিক্রি করি। যখন যে দাম যায়, তার ওপর কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা লাভ রেখে বিক্রি করি। কারণ সব মুরগি তো একদিনে বিক্রি হয় না। মুরগির খাবার দিতে হয়। অনেক সময় গরমের কারণে মারা যায়।
তিনি আরও বলেন, এখন বাজারে ব্রয়লার ও পাকিস্তানি মুরগির সরবরাহ বেড়েছে। তাই দাম কমে এসেছে। এক সপ্তাহ আগে প্রতিকেজি ব্রয়লার ১৮০ টাকা কেজি কিনে ১৯০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি করেছি। আর এখন ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা কেজি দরে কিনে ১৭০ টাকায় বিক্রি করছি। পাকিস্তানি মুরগিরও একই অবস্থা। তবে দেশি মুরগির দাম আগেও বেশি ছিল ৫৫০ টাকা কেজি। তা এখন ৫২০ টাকায় নেমে এসেছে।