
প্রকাশ: ৩০ মে ২০২৪, ৩:২৪

কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দোয়াত-কলম প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী খাদিজা বিনতে রোশনের প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট হিসেবে কাজ করেছেন দুইবারের সাবেক সংসদ সদস্য রাজী মোহাম্মদ ফখরুল।
বুধবার (২৯ মে) অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ন্যূনতম ভোট না পাওয়ায় জামানত হারিয়েছেন সাবেক এমপি ফখরুলকে প্রধান এজেন্ট বানানো প্রার্থী খাদিজা। দোয়াত-কলম প্রতীকে তিনি পেয়েছেন মাত্র ৩০৩ ভোট।
জানা যায়, দোয়াত-কলম প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী খাদিজা বিনতে রোশন কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রোশন আলী মাস্টারের মেয়ে।
রোশন আলী মাস্টারের স্ত্রী সাহিদা আক্তারও এ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে লড়েছেন ঘোড়া প্রতীকে। খাদিজা বিনতে রোশন ভোটের মাঠে ছিলেন মায়ের ডামি প্রার্থী হিসেবে। মা-মেয়ে দুজনই হেরেছেন আনারস প্রতীকের প্রার্থী মামুনুর রশিদ মামুনের কাছে। নির্বাচিত মামুন দেবীদ্বারের বর্তমান এমপি আবুল কালাম আজাদের ছোট ভাই।
এ নির্বাচনে আনারস প্রতীকে মামুন পেয়েছেন ৯২ হাজার ৫২১। ৩৪ হাজার ৪৮০ ভোট পেয়ে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছেন ঘোড়া প্রতীকের সাহিদা আক্তার। আর খাদিজা বিনতে রোশন দোয়াত-কলম প্রতীকে পেয়েছেন মাত্র ৩০৩ ভোট।

এদিকে সাবেক সংসদ সদস্য রাজী মোহাম্মদ ফখরুল প্রধান এজেন্ট হওয়ার পরও ওই প্রার্থীর জামানত হারানোর বিষয়টি নিয়ে উপজেলাজুড়ে চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা।
স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা জানান, বর্তমান এমপি আবুল কালাম আজাদের ছোট ভাই বিজয়ী চেয়ারম্যান মামুনুর রশিদকে হারানোর জন্য তিনি নিজেই ওই প্রার্থীর প্রধান এজেন্ট হয়েছেন।
এ বিষয়ে বিজয়ী চেয়ারম্যান মামুনুর রশিদ মামুন বলেন, ‘সাবেক সংসদ সদস্য রাজী মোহাম্মদ ফখরুল দোয়াত-কলম প্রতীকের প্রধান এজেন্ট হয়ে ভোটের সময় পুরো উপজেলায় ঘুরে বেড়িয়েছেন। আমাকে হারানোর জন্য প্রকাশ্যে কাজ করছেন। আমার নেতাকর্মীদের নানাভাবে হুমকি-ধমকি দিয়েছেন। এ বিষয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছিলাম, কিন্তু কোনো কাজ হয়নি।
এ বিষয়ে জানতে সাবেক সংসদ সদস্য রাজী মোহাম্মদ ফখরুলকে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।