
প্রকাশ: ৮ অক্টোবর ২০২২, ১৬:৪৯

নৈসর্গিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে পর্যটকদের আনাগোনা বেড়েছে কয়েকগুণ। শারদীয় দুর্গাপূজা, ঈদে মিলাদুন্নবী ও সাপ্তাহিক ছুটিতে সৈকতে ঢেউয়ের সঙ্গে মিতালিতে নেমেছেন হাজারো পর্যটক। তবে হোটেলে রুম খালি না থাকায় পর্যটকদের আবাসন সুবিধা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন হোটেল-মোটেল মালিকরা। এদিকে পর্যটকরা বিভিন্ন জায়গায় হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলেও জানা গেছে। হোটেলে রুম না পেয়ে আশপাশের বাসা বাড়িতে রাত্রিযাপন করতে হচ্ছে আগত ভ্রমণ পিপাসুদের।
পাবনা থেকে বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে এসেছেন ইমতিয়াজ।তিনি বলেন, আমরা সরকারি ছুটি পেলেই কুয়াকাটা আসি। কিন্তু প্রতিবারই হোটেলে রুম না পেয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হয়। অতিরিক্ত টাকা দিয়ে রুম নিতে হয়েছে। কিন্তু এবারের পরিস্থিতি আরও ভিন্ন। অতিরিক্ত টাকা দিয়েও কোথাও রুম পাওয়া যায়নি। তাই বন্ধুরা মিলে বাসের মধ্যেই রাত্রিযাপন করছি। পরবর্তীতে কুয়াকাটা আসলে অগ্রিম বুকিং দিয়ে আসবো।
ঢাকা থেকে আসা পর্যটক রুবিনা ইসলাম বলেন, যান্ত্রিক জীবন থেকে স্বস্তির নিঃস্বাস ফেলতে পরিবারসহ কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে এসেছি। খুব আনন্দ পেয়েছি।আবাসিক হোটেল কানসাই ইন’র ম্যানেজার জুয়েল ফরাজী বলেন, পদ্মাসেতু উদ্বোধনের পর এখানে দিন দিন পর্যটকদের সংখ্যা বাড়ছে। বিশেষ ছুটির দিনগুলোতে কুয়াকাটায় আগত পর্যটকদের আবাসন সুবিধা দিতে আমাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।

কুয়াকাটা পৌর মেয়র আনোয়ার হাওলাদার বলেন, পদ্মা সেতুর উদ্বোধনে কুয়াকাটায় অনেক পর্যটক বেড়েছে। ছুটির দিন গুলোতে পর্যটকদের পদচারণায় মুখর থাকে কুয়াকাটা। পর্যটকদের নিরাপত্তা দিতে কুয়াকাটা পৌরসভার সর্তক দৃষ্টি রয়েছে।
কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি
কুয়াকাটা ট্যুরিষ্ট পুলিশ জোনের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আব্দুল খালেক বলেন, কুয়াকাটা আগে বর্ষার সময় তেমন লোক থাকত না, এখন সবসময়ই প্রচুর পর্যটক আসে এবং আমরা সার্বক্ষণিক তাদের নিরাপত্তায় নিয়োজিত রয়েছি। পর্যটন স্পটগুলোতে আমাদের টহল জোরদার করেছি।