
প্রকাশ: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২, ২১:৩৪

সড়ক ও জনপথ বিভাগের মাধ্যমে বেহাল রাস্তার বড় বড় গর্তগুলো চলাচলের উপযোগী করতে সম্প্রতি সময়ে ইট বিছিয়ে ভরাট করা হয়। কিন্তু গর্তগুলো ভরাট করলেও দুর্ভোগের শেষ নেই গাড়ীচালক ও পথচারীদের। দিনাজপুরের হিলি থেকে ঘোড়াঘাট পর্যন্ত সড়কটি ৩০ কিলোমিটার। সড়ক যানবাহন চলাচলে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। প্রতিনিয়ত জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে যানবানের চালকসহ সড়ক ব্যবহারকারীদের। বিশেষ করে ভারী যানবাহন চলাচলের জন্য এই সড়ককে ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করছেন চালকসহ পথচারী-স্থানীয়রা।
ট্রাকচালক রকি মিয়া বলেন, আমি প্রায়ই হিলিবন্দর থেকে পণ্য নিয়ে হিলি-ঘোড়াঘাট হয়ে বগুড়া, ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে যাওয়ার সময় এই সড়ক দিয়ে যাই। আগে এই সড়কে ৪৫টি বড় গর্ত ছিল। সম্প্রতি সড়ক ও জনপদ বিভাগ গর্তগুলো ভরাট করেছে। এমনভাবে ভরাট করা হয়েছে, আগের গর্তের জায়গা এখন অনেক উঁচু ঢিবির মতো হয়ে গেছে। ফলে ভারী যানবাহন নিয়ে উঠতে খুব বেগ পেতে হয়। স্টিয়ারিং হাত দিয়ে ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। আবার নামার সময়ও উল্টে যাওয়ার আশঙ্কা আছে।
প্রাইভেটকার-চালক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, হিলি-ঘোড়াঘাট সড়কে ছোট যানবাহন চলাচল সবচেয়ে বেশি কষ্টকর। ৩০ কিলোমিটার সড়কের ৪৫ জায়গায় হেরিং বোন বন্ডের (এইচবিবি-কোনাকুনি ইট বিছানো) মাধ্যমে সংস্কার করা হয়েছে। তবে প্রাইভেটকার, মাইক্রো চলাচল করতে খুব সমস্যা হয়। তিনি আরও বলেন, জায়গাগুলো বেশি উঁচু করার কারণে ছোট যানহানের নিচের অংশ অনেক সময় সংস্কার করা জায়গাগুলোকে আটকে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। কোনো কোনো সময় আটকেও যায়। তখন ভোগান্তির শেষ থাকে না। উপস্থিত লোকজনদের দিয়ে ধাক্কা মেরে পার হতে হয়। এভাবেই চলাচল করতে হয় এই সড়ক দিয়ে।
মোটরসাইকেল-চালক আরাফাত হোসেন বলেন, এই সড়ক দিয়ে মটর বাইকের গতিবেগ ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটারের ওপর তোলা যায় না। এক কিলোমিটারের মধ্যেই দু’টি এইচবিবিকরণ। বাইকের গতি তুলতেই সামনে আরেকটি এইচবিবিকরণ। হিলি থেকে ঘোড়াঘাট ৩০ কিলোমিটার যেতে এক ঘণ্টা সময়
কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি

হাকিমপুর উপজেলার আলীহাট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবু সুফিয়ান বলেন, আমার ইউনিয়নের হিলি-ঘোড়াঘাট সড়কের ৩ কিলোমিটার অংশ পড়েছে। যা যানবাহনসহ পথচারীদের চলাচলের অনুপযোগী। প্রায় ভ্যান, অটোচালক ও বাইক চালকদের ছোটখাটো দুর্ঘটনার শিকার হতে হয়।
সড়ক সংস্কারের কাজ দ্রুত শুরু হবে বলে জানিয়েছেন দিনাজপুর সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো.মঞ্জুরুল আজিজ।তিনি আরও বলেন, ‘হিলি-ঘোড়াঘাট ৩০ কিলোমিটার সড়ক ইতোমধ্যে এইচবিবিকরণের মাধ্যমে চলাচলের উপযোগী করে তোলা হয়েছে। আশা করি, চলতি অর্থবছরেই টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই সড়কের কাজ শুরু করা হবে।