
প্রকাশ: ২ আগস্ট ২০২২, ০:৮

ক্ষোভ আর অভিমানে স্বামীকে হত্যা করেন হৃদয় বানু। সৌদি আরবে থাকতে আবু সাইদ সেন্টু ও হৃদয় বানুর মধ্যে পরিচয় এরপর তারা বিয়ে করেন। বিয়ের কিছু দিন পর তারা বাংলাদেশে ফিরে আসেন। টাঙ্গাইল শহরের বিশ্বাস বেতকা এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতেন । কিন্তু হৃদয় বানুকে ঠিকমতো খোজখবর নিতেন না সেন্টু, এমনকি বাড়িতেও থাকতেন না তিনি। এনিয়ে ক্ষোভ আর অভিমানে স্বামীকে হত্যা করেন হৃদয় বানু।
মঙ্গলবার (২ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে র্যাব-১২ এর ৩ নম্বর কোম্পানি কমান্ডার মেজর মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান সংবাদ সম্মেলনে একথা জনান। এর আগে সোমবার (১ আগস্ট) রাতে সেন্টু হত্যা মামলার আসামি হৃদয় বানুকে হবিগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করে তারা।
সেন্টু টাঙ্গাইল সদর উপজেলার তারটিয়া গ্রামের মৃত ওমর আলী খানের ছিলেন । হৃদয় বানু হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল উপজেলার রাজাপুর গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।

মেজর মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান জানান, দুই বছর আগে সেন্টু তার প্রথম স্ত্রীর অনুমতি না নিয়ে হৃদয় বানুকে বিয়ে করেন। বিয়ের সাত মাস পর হৃদয় বানু দেশে ফিরে গাজীপুরের টঙ্গীতে সেন্টুর বড় ভাই খোরশেদের ভাড়া বাসায় ওঠেন।

এক মাস পর সেন্টু দেশে চলে আসেন। টঙ্গীতেই হৃদয় বানু কন্যা সন্তান জন্ম দেন। গত দুই মাস আগে তারা টাঙ্গাইল শহরের বিশ্বাস বেতকা ধোপাপাড়া এলাকায় বাসা ভাড়া নেন। সেখানে ১০/১২ দিন পর পর সেন্টু যেতেন। কখনো এক দিন বা তার কম সময় থেকে চলে যেতেন। হৃদয় বানুর সংসারের খরচ ও ঠিক মতন দিতেন না।