
প্রকাশ: ১৮ মার্চ ২০২২, ২২:২

নেছারাবাদ উপজেলার হাটে বাজারে দলছুট হনুমানের উৎপাত বেড়েই চলছে। প্রতিদিন মুদি,ফল ও খাবার হোটেলে এসে খাবার দাবার নষ্ট করছে। দোকানে এসে উৎপাতের সময় উৎসুক মানুষের ভীড় জমছে। এতে বাজারের মানুষের ব্যবসা-বানিজ্যে ব্যাঘাত ঘটা সহ পথচারিদের নানান সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। কোন কোন মানুষ অসহ্য হয়ে হাতে লাঠি নিয়ে হনুমান তাড়াচ্ছেন। স্থানীয়রা বলছেন হনুমানের উৎপাত থেকে বাচার জন্য নিষ্ঠর মানুষেরা হনুমানটিকে মেরে ফেলতে পারেন।
উপজেলার জগৎপট্টি বন্দরের সরদার বাড়ী মুখে অবস্থিত রফিকের মুদি দোকানে ঢুকে হনুমানটি অনেক পন্য নষ্ট করে। প্রায় আধা ঘন্টারও বেশি সময় ধরে হুনুমানটি দোকানে অবস্থান নিয়ে বাদাম,চিনি পেয়াজ নষ্ট করে। পরে তিনি বিরক্ত লাঠি নিয়ে তেড়ে এসে হনুমানের দিক আগালে ভয়ে হনুমানটি পালিয়ে যায়। ফল বিক্রেতা সুমন জানান, রফিকের দোকান থেকে ধাওয়া খেয়ে হনুমানটি তার ফলের দোকানে এসে বিরক্ত করে। পরে উৎসুক মানুষ দেখে হনুমানটি সটকে পড়ে পাশের একটি খাবার হোটেলে ডুকে পড়ে।
ফল বিক্রেতা দেলোয়ার হোসেন জানান, হনুমানটি সপ্তাহখানেক পর্যন্ত বাজারে এসে খাবার দোকান শুরু করে বিভিন্ন দোকানে লাফিয়ে বেড়াচ্ছে। এতে তাদের অনেক সমস্যা হচ্ছে। তিনি আরো জানান, তবে হনুমানটি এখন পর্যন্ত পথচারিদের কোন সমস্যা করছেনা। যত ঝামেলা পোহাচ্ছেন বাজারের দোকানিরা।চা দোকানি সোবাহান বলেন, বন বিভাগের উচিত হনুমানটি ধরে জঙ্গলের অভয় আশ্রমে ছেড়ে দেয়া। অন্যাথায় দুষ্ট লোকের হাতে পড়লে বিলুপ্ত এই বন্য প্রানিটি যেকোন সময় মারা পড়তে পারে।

এ ব্যপারে জানার জন্য নেছারাবাদ উপজেলা বনবিভাগের কর্মকর্তা মো: মিজানুর রহমানের দেখা না পেয়ে তাকে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। অফিসের এম,এল,এস,এস মো: মজিবুর রহমান বলেন, বিষয়টি পরিবেশ অদিদপ্তরকে জানান। আমরা পারি হনুমানটিকে দূরে কোথাও তাড়িয়ে দিতে।
কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি