
প্রকাশ: ১৫ মার্চ ২০২২, ২৩:৩৩

দীর্ঘদিন সংস্কার না করায় মেহেরপুর-কুষ্টিয়া সড়কের অধিকাংশ স্থান খানাখন্দে ভরে গেছে। যার ফলে সড়কটি দিয়ে চলাচলকারী লাখ লাখ মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। দ্রত সময়ের মধ্যে সংস্কার করে চলাচলের দাবি স্থানীয়দের। আর সড়ক জনপদ বিভাগের পক্ষ থেকে দ্রত সংস্কার করে চলাচল উপযোগী করা হচ্ছে দাবি করে আগামি মাসের মধ্যে মেহেরপুর-কুষ্টিয়া সড়ক টেন্ডার প্রক্রিয়ার শেষ করে কার্যাদেশ দেওয়ার।
মেহেরপুর-কুস্টিয়া সড়কের বেশির ভাগ স্থানে অধিকাংশ স্থানে কার্পেটিং উঠে ইটের খোয়া বের হয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে সড়ক দিয়ে চলতে গিয়ে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। সড়কগুলো খানাখন্দে পরিণত হওয়ায় প্রতিনিয়ত বাস, ট্রাক, ইজিবাইক ও মোটরসাইকেল উল্টে পঙ্গগুত্ববরণ করেছে অনেকেই। ভাঙাচোরা রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে যানবাহন বিকল হয়ে পড়ছে। বর্তমানে ওই রাস্তা চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় এ এলাকায় ব্যবসা-বাণিজ্যে ধ্বস নেমেছে।
দীর্ঘদিন যাবৎ সড়ক সংস্কার না হওয়ার কারণে বিশেষ করে গাড়াডোব থেকে খলিশাখুন্ডি পর্যন্ত চলাচল করতে ভোগান্তির শিকার হতে হয়। পথচারীর জানান,মেহেরপুর-কুষ্টিয়া সড়কের কুষ্টিয়া জেলার সড়ক চলাচলের কিছুটা উপযোগী হলেও মেহেরপুর অংশের রাস্তার এতটাই খারাপ যে তারা পচনশীল সবজি সহ অন্যান্য পণ্য পরিবহনে চরম দূর্ভোগ পোহাচ্ছে। প্রায় প্রতিনিয়ত ট্রাক সহ অন্যান্য যানবাহন বিকল হয়ে যায়।

বাস ও ট্রাক চালকরা জানান, ভাঙাচোরা রাস্তার জন্য বেশি মাল নেওয়া যায় না। পেটের দায়ে বাধ্য হয়ে ভাঙাচোরা রাস্তায় চলাচল করতে হচ্ছে। ভাঙ্গাচোরা সড়ক দিয়ে চলতে গিয়ে প্রায় প্রতিনিয়ত দূর্ঘটনা ঘটে। গাড়ির যন্ত্রাংশ ভেঙ্গে যায়। দ্রত সময়ের মধ্যে রাস্তা মেরামত না করা হলে আরো বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটতে পারে। মেহেরপুর সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোঃ নজরুল ইসলাম জানান,মেহেরপুর-কুষ্টিয়া সড়ক টেন্ডার হয়েছে। আশা করি দ্রত সময়ের মধ্যে কার্যাদেশ দেয়া হবে।
কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি