
প্রকাশ: ৩০ জানুয়ারি ২০২২, ১৯:৪৫

চলচ্চিত্রের মুভিলর্ড খ্যাত মনোয়ার হোসেন ডিপজল ঘোষণা দিয়ে একের পর এক সিনেমা নির্মাণ করে যাচ্ছেন। সময়ের সঙ্গে তাল মেলানোর বিশেষ এক ক্ষমতা আছে তার। এবারের শিল্পী সমিতির নির্বাচনে ২১৯ ভোট পেয়ে সিনিয়র সহসভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন ডিপজল। গত কমিটিতেও তিনি একই পদে ছিলেন।
পুনরায় নির্বাচিত হয়ে ডিপজল বলেন, নির্বাচন করার আগ্রহ আমার কম। নির্বাচন না করলেও আমার চলে। তারপরও নির্বাচন করি, যাতে কমিটিতে থেকে সবাইকে নিয়ে সাংগঠনিকভাবে শিল্পীদের কল্যাণে কাজ করতে পারি। কমিটিতে যারা আছে, তাদের সহযোগিতা ও পরামর্শ দিয়ে সংগঠনকে কার্যকর ও এগিয়ে নেওয়ার কাজ করার জন্যই নির্বাচনে দাঁড়াতে হয়।
তিনি আরও বলেন, আমি সবসময় চলচ্চিত্র শিল্পী ও কলাকুশলীদের পাশে আছি এবং থাকব। যতদিন বেঁচে থাকব, তাদের জন্য কিছু করার চেষ্টা করব। আমি চলচ্চিত্র পরিবারের একজন। পরিবারের সদস্য হিসেবে অন্য সবার সুখ-দুঃখে পাশে দাঁড়ানো আমার দায়িত্ব। ব্যক্তিগতভাবে যতটুকু পারি, তাদের পাশে দাঁড়াতে চেষ্টা করেছি এবং করব।
সভাপতি পদে নির্বাচন না করা প্রসঙ্গে এই অভিনেতা বলেন, আমাকে ব্যবসা-বাণিজ্য ও সিনেমা নির্মাণ নিয়ে সারা বছরই ব্যস্ত থাকতে হয়। সমিতিতে সার্বক্ষণিক সময় দেওয়া সম্ভব নয়। সমিতির জন্য সাংগঠনিক যোগ্যতাসম্পন্ন নেতৃত্ব দরকার, যারা সবসময় সমিতির কাজ এগিয়ে নেবে। আর আমি মনে করি, শিল্পীদের কল্যাণ ও পাশে থাকার জন্য আমার সভাপতি হওয়ার দরকার নেই। বাইরে থেকেও করা যায়। তবে কমিটিতে থেকে সম্মিলিতভাবে ও ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করলে সমিতি গতিশীল হয়। আমি কমিটিতে আছি এবং তাদের সঙ্গে নিয়েই অতীতেও কাজ করেছি, এখনও করব।
কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি


ডিপজল বলেন, আমি সিনেমা নির্মাণ করছি। সমিতির সদস্য ও কলাকুশলী, যাদের প্রয়োজন হচ্ছে তাদের নিয়ে কাজ করছি। এতে কিছুটা হলেও তাদের কাজের ব্যবস্থা হচ্ছে। আমি আশা করি, নতুন কমিটি চলচ্চিত্রের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারবে। এ ক্ষেত্রে প্রযোজক-পরিচালকদেরও এগিয়ে আসতে হবে। তাদেরকেও নতুন নতুন সিনেমা বানানোর উদ্যোগ নিতে হবে।
তার ভাষ্যমতে, এবারের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সারা দেশের মানুষের মধ্যে যে আগ্রহ দেখেছি, এতে প্রমাণিত হয়, আমাদের সিনেমা ও শিল্পীদের প্রতি তাদের ভালোবাসা কতটা প্রবল। তাদের এই ভালবাসা ধরে রাখার দায়িত্ব আমাদের চলচ্চিত্রের মানুষদের। সম্মিলিতভাবে আমাদের চলচ্চিত্রকে আবার জাগিয়ে তুলতে হবে।
ঢাকাই ছবির প্রতাপশালী এই অভিনেতা বলেন, মিশা সওদাগর ও জায়েদ খান কমিটি ভালো কাজ করেছে। শিল্পীদের পাশে দাঁড়িয়েছে। সমিতিকে আজকের পর্যায়ে নিয়ে আসার পেছনে তাদের শ্রম রয়েছে। আমি আশা করি, নতুন কমিটিও সদস্যদের কল্যাণে আরও বেশি কাজ করবে এবং সমিতির কার্যক্রম এগিয়ে নেবে।