
প্রকাশ: ৮ জানুয়ারি ২০২২, ১৬:৫৬

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলায় দৌলতদিয়া কেন্দ্রীয় শদীদ মিনারে চত্বরে শুক্রবার (৭জানুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে বেসকারি একটি সংস্থার পক্ষ হতে যৌনকর্মীদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণকালে গোয়ালন্দ ঘাট থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) স্বপন কুমার মজুমদার এক বক্তব্যে বলেন, দেশের সর্ববৃহত্তম যৌনপল্লীর বাসিন্দাদের নিয়ে কেউ কোন রাজবনীতি করবেন না, এমনকি তাঁদের নিয়ে কোন প্রকার সুবিধা নিবেন না। এগুলো আমি থাকতে হতে দেবো না।
ওসি বলেন, দৌলতদিয়া ঘাটের এ যৌন পল্লীতে বিভিন্ন ধরনের অপরাধ সংঘটিত হয়ে থাকে। অসহায় যৌনকর্মীদের নানাভাবে নির্যাতন ও শোষন করা হয়ে থাকে।তাদেরকে ব্যবহার করে মধ্যস্বত্ব ভোগীরা ফায়দা লুটে থাকে। আমি ওই সকল দুষ্কৃতকারীদের ও ফায়দা আদায়কারীদের হুশিয়ার করে দিচ্ছি, আপনারা ভালো হয়ে যান। যৌনপল্লীর বাসিন্দাদেরকে ভালো থাকতে দিন। তাতে নিজেরাও ভাল থাকবেন। অন্যথায় আমি কঠোর হতে বাধ্য হব। সভায় গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আজিজুল হক খান,গোয়ালন্দ পৌরসভার মেয়র নজরুল ইসলাম মন্ডল, দৌলতদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান মন্ডল, দৌলতদিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোশাররফ হোসেন প্রমূখ বক্তব্য রাখেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে দৌলতদিয়া মডেল হাইস্কুল মাঠে রাজবাড়ী-১ আসনের সংসদ সদস্য কাজী কেরামত আলী এমপি'র পক্ষ হতে শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে আগত কয়েকজনের উদ্দেশ্যে তিনি একই ধরনের হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন। সেখানে তিনি বলেন, “এমপি সাহেব অত্যন্ত ভালো মনের মানুষ। আপনাদের কর্মকান্ডের দ্বারা তাকে বিতর্কের মধ্যে ফেলবেন না। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি যেন না হয় এমন কিছুই করবেন না। অন্যথায় আমার চেয়ে খারাপ কেউ হবে না ” অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য কাজী কেরামত আলী, ইউএনও আজিজুল হকসহ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি সর্ববৃহত্তম দৌলতদিয়া ঘাট ও যৌনপল্লী কেন্দ্রিক বিভিন্ন অপরাধের সাথে যুক্ত ও বিভিন্ন মামলার আসামিদের এলাকায় আনাগোনা বেড়ে গেছে । যারা মাদক, হত্যা, অস্ত্র, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন আলোচিত মামলার জামিনে এসে এলাকায় প্রকাশ্যে ঘোরাঘুরি করছে।এতে করে স্হানীয়দের মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।