
প্রকাশ: ৫ জানুয়ারি ২০২২, ২২:৫২

কুষ্টিয়ার সরিষা ফুলের হলুদ রঙে অপরূপ রূপে সেজেছে। খেতের পর খেত সরিষা ফুলের অপূর্ব হলুদ শোভার চোখ জুড়ানো দৃশ্য। আর তাই সরিষা ক্ষেতের মম গন্ধে মাতোয়ারা চারদিকে শুনা যাচ্ছে মৌমাছির ভো ভো শব্দ।
এরই মধ্যে শুরু হয়েছে বৈঞ্জানিক পদ্ধতিতে মধু আহরণও। অন্যদিকে হলদে সাজের সমাহার ইঙ্গিত করছে বাম্পার ফলনের সম্ভাবনার দিকেও। সরিষা খেতে বাক্সবন্দী মৌচাকের মাধ্যমে তুলে আনা হচ্ছে মানসম্মত মধু। এতে লাভবান হচ্ছেন এ অঞ্চলের কৃষক আর অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হচ্ছেন মৌচাষীরাও। মাঠে এখন হলুদ ফুল ভরে গেছে। এসব মাঠে চলছে ঝাঁকে ঝাঁকে মৌমাছির আনাগোনা।
মাঠের পর মাঠ সরিষার চাষ। শীতের সোনাঝরা রোদে ঝিকিমিকি করছে সবুজ সরিষা গাছের হলুদ ফুল। প্রকৃতি সেজেছে হলুদ বরণে। এ এক নয়নাভিরাম দৃশ্য। মৌ মৌ গন্ধে মুখরিত চারপাশ। কুয়াশায় ঢাকা শীতে হলুদ রঙের চাঁদরে আবৃত কুষ্টিয়ার ০৬ টি উপজেলার আবাদের মাঠ। মাঠজুড়ে হলুদ ফুলের সমারোহ। এসব মাঠে চলছে ঝাঁকে ঝাঁকে মৌমাছির আনাগোনা।

মিরপুর এলাকার এক মৌ চাষী বলেন, সারাদিন মৌমাছি সরিষা ফুলে পরাগায়ণ ঘটায় এবং মধু সংগ্রহ করে। এরা সাধারণত ৩ কিলোমিটার দূর থেকে মধু সংগ্রহ করতে পারে। এক সপ্তাহ পরেই প্রতিটি বাক্সে এসব চাক থেকে বিশেষ পদ্ধতিতে বের করা হচ্ছে দেড় থেকে দুই কেজি পর্যন্ত খাটি ও স্বাস্থ্যকর মধু। মাঠে বসেই এ মধু বিক্রি হচ্ছে। পুরো মাস জুড়ে চলবে সরিষা ক্ষেতে মধু আহরণ।
কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি

এদিকে একজন কৃষক জানান,সরিষা উঠার পর ওই জমিতে বোরো চাষ করা যাবে। একই জমিতে বছরে ৩টি ফসল ফলবে। যে কারণে কৃষকদের সরিষা চাষে আগ্রহ দিন দিন বেড়েই চলেছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এ জেলায় এবার সরিষার বাম্পার ফলন হবে বলেও আশা করেন তিনি। মিরপুর কৃষি উপজেলা কর্মকর্তা রমেশ চন্দ্র ঘোষ জানান, গত কয়েক বছর ধরে এ অঞ্চলে সরিষা চাষ বেড়েছে। এ বছর এই উপজেলায় ১৫১০ হেক্টর জমিতে সরিষার চাষ হয়েছে। আর এ থেকে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১২০০ টন বলেও জানান তিনি।