
প্রকাশ: ৮ ডিসেম্বর ২০২১, ৫:১৫

শরীয়তপুর সদর উপজেলার চিতলিয়া ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। সংঘর্ষে উভয় গ্রুপের প্রায় ৩৭ জন আহত হয়েছে । বুধবার ৮ ডিসেম্বর সকাল ৬টায় দিকে চিতলীয়া ইউনিয়নের গাঁজার বাজার এলাকায় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আহতদের উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, শরীয়তপুর সদর উপজেলার চিতলীয়া ইউনিয়ন আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম হাওলাদার ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি হারুন হাওলাদার গ্রুপের মধ্যে দন্ড চলে আসছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সালাম হাওলাদারের দুই জন সমর্থককে আংগারিয়া বাজারে গেলে হারুন হাওলাদারের সমর্থকরা মারধর করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এর জের ধরে বুধবার ভোর ৬টার দিকে চিতলীয়া ইউনিয়নের গাঁজার বাজারে দুই গ্রুপে সংঘর্ষ বাধে এতে প্রায় ২ ঘন্টা ধাওয়া ও পাল্টা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এতে উভয় গ্রুপে ৩৭ জন আহত হয়। আহতদের উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪ জনের অবস্থা আশংকাজন হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
আহতদের মধ্যে রতন হাওলাদার, লিটার বেপারী, মজনু চৌকিদার, কাউসার হাওলাদার, সাইফুল চৌকিদার, সোহাগ হাওলাদার, মাসুদ চৌকিদার, জালাল হাওলাদার, জাহাঙ্গীর হাওলাদার, মকবুল হাওলাদার, আনোয়ার হাওলাদার, মোশাররফ হাওলাদার, ফারুক হাওলাদার, এমদাদ চৌকিদার ও আনোয়ার হোসেন মাদবরের নাম পাওয়া গিয়েছে।
চিতলীয়া ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম হাওলাদারের সমর্থক রতন হাওলাদার বলেন, সকাল ৬ টার দিকে আমরা বেশ কয়েকজন নামাজ পড়ে গাঁজার বাজারের দিকে যাচ্ছিলাম চা খাওয়ার জন্য হঠাৎ করে হারুন হাওলাদারের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমাদের উপর অতর্কিত ভাবে হামলা করে এতে আমরা প্রায়ই ১৭ জনের মতো আহত হই।

কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি
উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি হারুন হাওলাদার বলেন, সকালে ৬টার দিকে আমার গ্রুপের লোকজন গাঁজার বাজার ক্লাবের সামনে থাকে হঠাৎ করে তাদের উপর সালাম হাওলাদারের লোকজন অতর্কিত ভাবে হামলা করে এতে আমার ২০ জনের মত লোক আহত হয়। কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা পাঠানো হয়েছে। আমি এই হামলাকারীদের শাস্তি দাবি করছি।
পালং মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আকতার হোসেন বলেন, চিতলীয়া ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ইউপি চেয়ারম্যান সালাম হাওলাদার ও হারুন হাওলাদারের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষে উভয় গ্রুপের লোকজন আহত হয়েছে, মামলার প্রস্তুি চলছে।