
প্রকাশ: ৬ ডিসেম্বর ২০২১, ১:৭

দীর্ঘ স্থায়ী পরিকল্পনা,সচ্ছতা ও জবাবদিহিতা থাকলে উন্নয়ন দৃশ্যমান হয়।বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম পৌরসভা হল কালকিনি পৌরসভা। এ পৌরসভাকে সর্বদিক দিয়ে ঢেলে সাজাতে হলে দল-মত নির্বিশেষে সকলের সার্বিক সহযোগিতা থাকতে হবে। তাহলেই সম্ভব কালকিনি পৌরসভাকে একটি আধুনিক পৌরসভায় রুপান্তরিত করা যায় বললেন,বিশিষ্ট্য ব্যবসায়ী উপজেলা আ'লীগের সদস্য ও কালকিনি পৌর-মেয়র এস এম হানিফ।
কালকিনি পৌরসভার উন্নয়ন মুলক সকল বিষয় জানতে চাইলে, "প্রতিদিনের সংবাদ" প্রতিবেদককে বলেন, ১৯৯৭ সালের ১৪ই জানুয়ারী ৩০.৩০ বর্গ কিঃমিঃ আয়তনে ৩২টি মৌজার সমন্বয় ৯ টি ওয়ার্ড নিয়ে কালকিনি পৌরসভা গঠন করেন সাবেক যোগাযোগ মন্ত্রী আলহাজ্ব সৈয়দ আবুল হোসেন। যাহা আয়তনের দিকে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম পৌরসভা। ২০১১ সালের আদম শুমারী হিসাব অনুযায়ী জনসংখ্যা ৪৬,২৫২ জন। কিন্তু পরবর্তিতে আদম শুমারীর জরিপ প্রতিবেদনের জনসংখ্যার সঠিক তথ্য এখনও পাওয়া যায়নি।
তিনি বলেন, গত বছর উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচনে ভোটের মাধ্যমে আমি মেয়র নির্বাচিত হই এবং পৌরসভার দায়িত্ব গ্রহন করি। নয়জন কাউন্সিলর ও তিন জন সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর নিয়ে,অগোছালো পৌরসভাকে ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে শপথ গ্রহন করে কাজ শুরু করি। আমি বিশ্বাস করি সবাইকে নিয়ে দীর্ঘস্থায়ী পরিকল্পনা,সচ্ছতা ও জবাবদিহিতাকে মাথায় রেখে কাজ করলে অবশ্যই একটি আধুনিক পৌরসভা রুপান্তরিত সম্ভব।
কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি

যোগাযোগ ব্যবস্থার বিষয় জানতে চাইলে বলেন,আমার পৌরসভার মধ্যে পাকা রাস্তা ৪৫কিঃমিঃ,এইচ,বি,বি,রাস্তা ১৫কিঃমিঃ বি,এফ,এস রাস্তা ১ কিঃমিঃ কাচা রাস্তা এখনও প্রায় ৫০ কিঃ মিঃ কাচা রাস্তা রয়েছে,যাহা খুবই খারাব অবস্থায় আছে। বর্ষার দিনে জনসাধারণের দুর্ভোগের শেষ নেই। যাহা পাকা রাস্তায় রুপান্তরিত করে জনদুর্ভোগ লাঘব করতে হবে।পৌরসভা এলাকায় ব্রীজ ৭৮ টি,কালভার্ট ৫০টি। প্রায় ৩৬ টি ছোট বড় খাল ও ১ নদী রয়েছে, তাই যোগাযোগের জন্য আরও কিছু ছোট বড় ব্রিজ ও কালর্ভাট নির্মান করতে হবে।
পৌরসভা এলাকায় কলেজ ১টি,বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৮টি,সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ১৯টি,বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ৯টি,হাফেজিয়া মাদ্রাসা ৯টি,আলিয়া মাদ্রাসা ২টি,এতিমখানা ২টি,কওমি মাদ্রাসা ১টি,নুরানী মাদ্রাসা ৬টি, মসজিদ ১৩৭টি ও ৯ টি মন্দির রয়েছে। ড্রেনেজ ব্যবস্থা না রেখে অপরিকল্পিত কিছু রাস্তার কাজ করার কারনে অসংখ্য জায়গায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এখন ঐ সমস্ত রাস্তার পাশে ড্রেনেজ ব্যবস্থা করে জলাবদ্ধতার নিরসন করতে হবে।

সুপেয় নিরাপদ বিশুদ্ধ পানির জন্য ৩টি সাবমারমিবল পানির পাম্প যথেষ্ট নয়,যাহা আরো বাড়াতে হবে। ১৪কিঃ মিঃ পানি সাবলাই ব্যবস্থা আছে, যা চাহিদা তুলায় খুব কম।তাই দ্রুত আরও প্রায় ২০কিঃমিঃ পানি সাবলাইর ব্যবস্থা ও গভীর ডিপট টিউবওয়েলের মাধ্যমে বিশুদ্ধ পানির চাহিদা পুরন করা।এ পৌরসভায় ছোট বড় ০৮ টি হাট বাজার আছে। যে খানে আশেপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে জনসাধারণ দৈনিক তাদের চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রী ক্রয় করেন।
যে খানে প্রয়োজন তুলনায় ডার্সবিন ও গন শৌচাগারের ব্যবস্থা নেই। যাহা প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন করে ব্যবস্থা করা।নাগরিকের সকল প্রকার অধিকার পুরন করে দেয়াই, এখন বড় চ্যালেঞ্চ।পৌর-মেয়র এস এম হানিফ বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ও মাদারীপুর-৩ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. আবদুস সোবহান গোলাপ এমপি, কালকিনি উপজেলা আ'লীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মীর গোলাম ফারুক আমাকে যে ভাবে সার্বিক সহযোগিতা করে আসছেন,ইনশাআল্লাহ পৌরবাসিকে তাদের ন্যায্য অধিকার সঠিক দিয়ে সেবা দিতে পারব।পাশাপাশি,কালকিনি পৌরসভাকে আধুনিক পৌরসভায় রুপান্তরিত করতে স্থানীয় সরকার,পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলামের সু-দৃষ্টি কামনা করছি।