
প্রকাশ: ১০ নভেম্বর ২০২১, ১৬:১৫

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ও বাণিজ্য খ্যাত একটি বাজার বামন্দী। যেখানে রয়েছে জেলার সর্ব-বৃহৎ পশু হাট। বাজারে শাক-সবজি, মাছ-মাংস, ক্ষুদ্র কুটির শিল্প সামগ্রী থেকে শুরু করে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য ও মালামাল বিক্রয় করে ব্যাবসায়ীরা। এসব দোকানের পাশাপাশি রয়েছে সুপার মার্কেট, শপিংমল, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, অফিস, একাধিক শাখা ব্যাংক ও চিকিৎসাকেন্দ্র, কলকারখানা সহ হাজারের অধিক দোকান-পাট। এ বাজারে শুধুমাত্র চায়ের দোকানের ব্যাবসার উপর নির্ভর করে চলে প্রায় শতাধিক পরিবার।
বামন্দী বাজারের আরেকটি জমজমাট বাজার ছিলো নিলাম বাজার। যেটা এখন কদর হারিয়েছে বলে মনে করছেন নিলাম বাজারের ব্যাবসায়ীরা।সপ্তাহে দুইদিন শুক্রবার এবং সোমবার বসে এই নিলাম বাজার। অল্প টাকায় ভালো মালামাল পাওয়ার আশায় মানুষ নিলাম বাজারে যায়। নিলাম বাজারে শার্ট, প্যান্ট, লুঙ্গী, গেন্জী, পাজামা-পান্জাবী থেকে শুরু করে সবধরনের পোশাক পাওয়া যায় সুলভ মূল্যে।
সাম্প্রতিক, কোভিড-১৯ করোনা ভাইরাসের কারণে সারাদেশের ন্যায় বামন্দী বাজারের ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান গুলো লকডাউন নামের বন্দীশালায় বন্ধ ছিলো। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান চালু করা হলেও আগের মতো আর জাঁকজমকপূর্ণ ব্যাবসা হচ্ছে না ব্যাবসায়ীদের।বামন্দী নিলাম বাজারে পোশাক ব্যাবসায়ী আব্দুল মজিদ জানান, অনেকদিন ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় ক্যাশের টাকা বসে বসে খেয়েছি। এখন অর্থের অভাবে মালামাল তুলতে না পারায় ক্রেতাশূন্য আমার দোকান।

আব্দুল মজিদের মতো অধিকাংশ ব্যাবসায়ীর একই অবস্থা। দীর্ঘদিন ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় ব্যাবসার পুঁজি বসে বসে খেতে হয়েছে। যার ফলে এখন অনেকটা অর্থশূন্য অবস্থায় তারা। এছাড়াও বামন্দী বাজার বিভিন্ন রাজনৈতিক কারণে কিছুটা খ্যাতি হারিয়েছে এবং সরকারি ঋণের সহোযোগিতা পেলে এসব ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানগুলো আবারো আগের জায়গায় ফিরে যাবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি