
প্রকাশ: ৫ নভেম্বর ২০২১, ২১:১৫

ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিতে যারা সংগ্রামে নামবে গণ অধিকার পরিষদ তাদের সঙ্গে থাকবে বলে জানিয়েছেন নতুন সংগঠনটির সদস্য সচিব নুরুল হক নূর।তিনি বলেন, আমরা এখনও জোটে অংশগ্রহণ করবো সে বিষয়ে আমরা সিদ্ধান্ত নেইনি। কিন্তু যারাই দেশের অধিকার চায়, মুক্তি স্বাধীনতা চায় এবং যারাই মানুষের ভোটের অধিকার ফেরত দেওয়ার জন্য সংগ্রাম করতে রাজি আছে তাদের সবার সাথে আমরা দাড়াবো।
শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধের শহীদ বেদিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করেন বাংলাদেশের গণ অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক ড. রেজা কিবরিয়া ও সদস্য সচিব নূরুল হক নূর। এ সময় তাদের সাথে প্রায় ৫০০-৬০০ নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। পরে তারা গণমাধ্যমের সাথে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেন।
এ সময় বাংলাদেশের গণ অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক ড. রেজা কিবরিয়া বলেন, জাতীর বীর সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে এখান থেকেই আনুষ্ঠানিক ভাবে সারা দেশে আমাদের কর্মসূচি শুরু করলাম। জনগণের দৈনন্দিন জীবন যাতে আরো সহজ ও নিরাপদ এবং তাদের অধিকার যাতে প্রতিষ্ঠিত হয় এজন্য আমরা কাজ করবো।
জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা এখনও জোটে অংশগ্রহণ করবো সে বিষয়ে আমরা সিদ্ধান্ত নেইনি। কিন্তু যারাই দেশের অধিকার চায়, মুক্তি স্বাধীনতা চায় এবং যারাই মানুষের ভোটের অধিকার ফেরত দেওয়ার জন্য সংগ্রাম করতে রাজি আছে তাদের সবার সাথে আমরা দাড়াবো।’
কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি


বাংলাদেশের গণ অধিকার পরিষদের সদস্য সচিব নূরুল হক নূর বলেন, আজকে বাংলাদেশে পরিবহন শ্রমিকদের মালিকপক্ষের একটি কর্মসূচি চলছে। যেটি আমরা মনে করি যে, একটা যথার্থ কর্মসূচি। হঠাৎ করে কোন ধরণের বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই ২-৩ টাকা নয় ১৫ টাকা ডিজেল, কেরোসিনে দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। এই দাম বাড়ার ফলে জনজীবনে প্রোডাকশন থেকে শুরু করে আপনার পণ্য সরবরাহ সমস্ত জায়গায় জীবনযাত্রার মানে একটা পরিবর্তন আসবে। এমনিতেই দীর্ঘদিন ধরে দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতির ফলে জনজীবনে এক ধরণের অস্বস্তি, একধরণের বিপর্যয় রয়েছে। নিম্ন মধ্যবিত্ত এবং মধ্যবিত্ত মানুষের দুবেলা দুমুঠো খেয়ে বেঁচে থাকা কষ্টকর হয়ে যাচ্ছে। তাই জাতীয় স্মৃতিসৌধ থেকে আমরা সরকারের প্রতি আহ্বান জানাবো। তেলের দাম যে বৃদ্ধি করা হয়েছে। এটি প্রত্যাহার করতে হবে। অন্যথায় ২-৩ টাকা যাতে বাড়ানো যায় এটা যথাযথ কতৃপক্ষ মালিক-শ্রমিকদের সাথে বসে এটার একটা সমন্বয় করতে হবে।’
বর্তমান সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন কি না এমন প্রশ্নে বলেন, বর্তমান সরকার একটা দুর্বৃত্তের সরকারে পরিণত হয়েছে। যারা রাষ্ট্রের বিচার বিভাগ থেকে শুরু করে গণমাধ্যম, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সমস্ত প্রতিষ্ঠানকে তারা দলীয়করণের মধ্যে দিয়ে এই প্রতিষ্ঠান গুলোকে তারা ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে এসেছে। কাজেই এই সরকারের অধীনে এবং এই সেটাপে অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়। এটা পাগলও বিশ্বাস করবে না। কাজেই সেক্ষেত্রে আগামী নির্বাচন জাতিসংঘের তত্বাবধানে হতে পারে, জাতীয় সরকারের অধীনে হতে পারে ও তত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হতে পারে। কিন্তু এই সরকারের অধীনে নয়।