
প্রকাশ: ৩১ আগস্ট ২০২১, ৫:৮

সাভারের আশুলিয়ায় কৃষকলীগ আয়োজিত জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠানে এলাহী কমিউনিটি সেন্টারে খাবার বিতরণকে কেন্দ্র করে দু'পক্ষের বিতরে মারা মারির ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় ১৫ জন আহত হয়েছে।
এসময় দেখা যায় দু'পক্ষের মধ্যে খাবার আগে পরে বিতরণ কে কেন্দ্র করে কিছু বুঝে ওঠার আগেই কমিউনিটির সেন্টার এর ভিতর এক পক্ষ আরেক পক্ষকে চেয়ার দিয়ে পিটাচ্ছে। মঙ্গলবার (৩১ আগস্ট) বিকেলে আশুলিয়ার বাইপাইল এলাহী কমিউনিটি সেন্টারে এই ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, যারা মারা মারির ঘটনা ঘটিয়েছে তারা বেশিরভাগই ছাত্রলীগের পোলাপাইন। এরা কেউ কৃষকলীগের সাথে জড়িত না। তবে এরা সবাই কৃষকলীগের দাওয়াতেই এখানে এসেছে।এদের কাউকেই আমরা চিনি না। তবে আয়োজকদের পক্ষ থেকে দায়িত্বশীল কেউ এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি।
ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক আরিফুল ইসলাম আরিফ বলেন, আমরা গেছিই ৫-৭জন পোলাপান। প্রোগ্রাম শ্যাষ, খাবার লইয়া গ্যাঞ্জাম লাগছে। আমগো পোলাপান ওই জায়গায় আছিলো পর চইলা আসছে। পরে ফিরায়-মিরায় দিলাম। পরে আরও জানি কারা কারা মারিমারি করছে? ওই সময় চেয়ার-মেয়ার ছুড়ছে। তবে কেউ আহত হয় নাই। ওইখানে মনে করেন যে, কেউ কাউরে চেনে না। এই হলো ঘটনা।

কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ঢাকা জেলা উত্তর কৃষক লীগের আহ্বায়ক মহসিন করিমকে অনেকবার ফোন করা হলেও তিনি ধরেননি। এ বিষয়ে অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা সাভার উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও আশুলিয়া থানা আওয়ামী লীগের সদস্য শাহাদাত হোসেন খানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি মিটিংয়ে আছেন জানিয়ে ফোন কেটে দেন।
তবে জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠানে এমন কান্ডে দুঃখ ও চরম হতাশা প্রকাশ করেছেন সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মিসেস হাসিনা দৌলা।
তিনি বলেন, 'নতুন লোকজন যাদের নিয়েছে বা দাওয়াত করেছে তারা আওয়ামী লীগ সম্বন্ধে কিছু জানে না। বঙ্গবন্ধু সম্বন্ধে কিছু জানে না। বঙ্গবন্ধু যে স্বাধীনতার জন্য জীবন দিয়ে গেল। এই কথাটা যদি চিন্তা করে তাহলে না খেয়ে সারাদিন বসে থাকবে। তবে আপনি যেটা বললেন, আমি বিষয়টা দেখবো।