
প্রকাশ: ১১ আগস্ট ২০২১, ১৯:১৭

মহামারী করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকার ঘোষিত কঠোর বিধি-নিষেধ তুলে নেওয়ায় দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর আজ বুধবার (১১ আগস্ট) চালু হয়েছে দূরপাল্লার গণপরিবহন। সেই সাথে খুলে দেওয়া হয়েছে সব অফিস-আদালত, হোটেল- মোটেল রেস্টুরেন্ট।
সব কিছু খুলে দেওয়ায় অতিরিক্ত যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বেড়েছে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরি ঘাট এলাকাতে। এই মুহূর্তে নদী পারের অপেক্ষায় রয়েছে প্রায় সাত শতাধিক যানবাহন। এরমধ্যে পণ্যবাহী ট্রাকই রয়েছে প্রায় ৭ শতাধিক। আর দূর পাল্লার বাসের সংখ্যা ৫০ এর মতো।
বুধবার (১১ আগস্ট) বেলা ১১ টার দিকে সরেজমিন দৌলতদিয়া ফেরি ঘাট ঘুরে দেখা যায়, নদী পারের জন্য ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের দুই কিলোমিটার দৌলতদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ পর্যন্ত অপেক্ষা করছে প্রায় দুই শতাধিক যানবাহন। এরমধ্যে পণ্যবাহী ট্রাকের সংখ্যাই বেশি। দূরপাল্লার বাসের সংখ্যা কম। তবে ব্যক্তিগত গাড়ীর তেমন কোন চাপই নেই। সরাসরি ফেরিতে উঠে যাচ্ছে ব্যক্তিগত গাড়ী।
অপরদিকে দৌলতদিয়া-কুষ্টিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কের রাজবাড়ীর দিকে প্রায় ৫ কিলোমিটার সড়কে প্রায় ৫ শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক নদী পারের জন্য অপেক্ষা করছে। তবে এ সকল ট্রাক চালকদের ৭-৮ ঘন্টা ধরে অপেক্ষা করতে হচ্ছে নদী পারের জন্য।


বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহক কর্তৃপক্ষ (বিআইিব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ফেরিঘাট কার্যালয়ের ব্যবস্থাপক মো. শিহাব উদ্দিন বলেন, বিধি-নিষেধ তুলে নেওয়ার কারণে আজ থেকে গণপরিবহন চলছে। তাছাড়া শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী নৌরুটে ফেরি চলাচলে সীমিত করায় এই ঘাটে চাপ বেড়েছে। এ সকল যাত্রী ও যানবাহনগুলোকে নদী পার হওয়ার জন্য দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ছোট-বড় ১৫ টি ফেরি চলাচল করছে।
অপরদিকে লঞ্চঘাটে যাত্রীদের অতিরিক্ত ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।এ ব্যাপারে দৌলতদিয়া লঞ্চঘাট মালিক সমিতির ম্যানেজার নুরুল অনোয়ার মিলন বলেন, বর্তমানে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে যাত্রী পারাপারের জন্য বহরে ৩৪টি লঞ্চ থাকলেও ১৮টি লঞ্চ চলাচল করছে।