
প্রকাশ: ৭ আগস্ট ২০২১, ২২:৩৩

সারাদেশের ন্যায় নওগাঁতেও শুরু হয়েছে গণটিকাদান কার্যক্রম। শনিবার সকাল ৯টা থেকে জেলার ১১টি উপজেলার ৯৯টি ইউনিয়নে ও ৩টি পৌরসভায় মোট ১১৩টি কেন্দ্রে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়। চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।
জেলা স্বাস্থ্যবিভাগ সুত্রে জানা গেছে, ২৫ বছর ও তদূর্ধ্ব জনগোষ্ঠী, নারী, শারীরিক প্রতিবন্ধী এবং দুর্গম ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষকে প্রাধান্য দিয়ে একদিনের জন্য এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে। জেলার ১১টি উপজেলার ৯৯টি ইউনিয়ন, নওগাঁ পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ড, ধামইরহাট পৌরসভার ৩টি কেন্দ্র ও নজিপুর পৌরসভায় দুইটি কেন্দ্রে মোট ১ হাজার ৭০০ জন স্বাস্থ্যকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবী মাধ্যমে এই কর্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
এদিকে সকাল সাড়ে ৯টায় শহরের বিভিন্ন টিকাদান কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক হারুন অর রশীদ, পুলিশ সুপার আবদুল মান্নান মিয়া, সিভিল সার্জন ডা. এবিএম আবু হানিফসহ প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারা।
এসময় জেলা প্রশাসক হারুন অর রশীদ বলেন, ২৫ বছর ও তদুর্ধ্ব ও পঞ্চাশোর্ধ্ব বয়স্ক জনগোষ্ঠী, নারী এবং শারীরিক প্রতিবন্ধী, দুর্গম ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের জনগগোষ্ঠীকে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে এই গণটিকাদান কার্যক্রম চলছে। প্রচুর মানুষ টিকা নিতে এসেছে। আমরা মনে করি, এই গণটিকাদান কর্মসূচি মানুষের মধ্যে একটা উৎসাহ-উদ্দীপনার তৈরি করবে।


তিনি আরও বলেন, ১৮ বছরের বেশি বয়সীদের এলেও তারা রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন না। কারণ ভোটার আইডি কার্ড দেখে স্পট রেজিস্ট্রেশন করিয়ে তারপর টিকা দেওয়া হচ্ছে।এসময় তিনি টিকা নেয়ার পর টিকাকেন্দ্রে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করতে বলেন। এছাড়া টিকা নেয়ার পরও জরুরি কাজে ঘরের বাইরে গেলে অবশ্যই সঠিকভাবে মাস্ক ব্যবহার করতে হবে।
সিভিল সার্জন ডাঃ এ বি এম আবু হানিফ জানিয়েছেন, জেলার মোট ১১৩টি কেন্দ্রে শনবিার সকাল ৯টা থেকে এই গণ-ভ্যাকসিন প্রদান শুরু হয়েছে। জেলার ৯৯টা ইউনিয়ের ৯৯টি কেন্দ্র, নওগাঁ পৌরসভার ৯টি কেন্দ্র, নজিপুর পৌরসভায় ৩টি কেন্দ্র এবং ধামইরহাট পৌরসভার ২টি কেন্দ্রেসহ মোট ১১৩টি কেন্দ্রে এসব টিকা প্রদান কার্যক্রম চলছে।