প্রকাশ: ৬ আগস্ট ২০২১, ১৭:৩৫
পাওনা টাকা না পেয়ে নাটোরের লালপুর উপজেলার চষুডাঙ্গা বিলে সুলতান নামের এক ব্যক্তিকে হত্যা করে। এই মামলার পলাতক তিন আসামীকে আটক করেছে ওয়ালিয়া পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ। আটককৃতরা হলো লালপুর উপজেলার গোদড়া এলাকার মৃত সৈয়দ শার ছেলে আলম শাহ (৪৫), দিয়াড়াপাড়া গ্রামের মৃত মুনসেব আলীর ছেলে হাসমত আলী (৪৪) ও গোদড়া এলাকার মৃত হোসেন আলীর ছেলে আব্দুল লতিফ (৪১)।
তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওয়ালিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনর্চাজ ফারুক হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি অভিযানিক দল ফরিদপুরের নগর কান্দা থানাসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালায় পরে বুধবার (০৪ আগস্ট) রাতে বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়া ও লালপুরের গোদড়া থেকে তাকে আটক করা হয়।
ওয়ালিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনর্র্চাজ ফারুক হোসেন জানান,‘পাওনা মাত্র দুই হাজার টাকা পরিশোধ করতে না পারায় গত ১৩ জানুয়ারি সুলতান নামের এক ব্যক্তিকে গলা টিপে হত্যা করে নাটোরের লালপুরে চষুডাঙ্গা বিলের একটি গম ফেলে রেখে যায়। পরে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় প্রধান আসামি ছানোয়ার হোসেন ওরফে ছানা কে আট করায় হয়। তার স্বিকারোক্তিতে এই হত্যা মামলার অপর আসামীদের আটক করতে অভিযান চালায় পুলিশ।
কিন্তু আসামীরা এই ঘটনার পর থেকে গা ঢাকা দিয়ে বিভিন্ন এলাকায় রাজমিস্ত্রির কাজ করে আসছিলো। নাটোর জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার লিটন কুমার শাহার নির্দেশে ও বড়াইগ্রাম সার্কেল এর সার্বিক সহযোগিতায় তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে গত কাল বুধবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দিনব্যাপী ফরিদপুরের নগর কান্দা থানা ও ফরিদপুর সদরে অভিযান চালানো হয়।
পরে সেখানে তাদের না পেয়ে বড়াইগ্রামের বনপাড়া থেকে এই মামলার অন্যতম আসামী আলম শাহ ও হাসমত কে আটক করা হয়। এই দুইজনের তথ্যের ভিত্তিতে ঐ রাতেই মামলার অপর আসামী আব্দুল লতিফকে লালপুরের গোদড়া এলাকা থেকে আটক করা হয়। আজ তাদের নাটোর জেলা করাগারে প্রেরণ করা হবে।লালপুর থানার ওসি ফজলুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। উল্লেখ্য, ‘গত ১৩ জানুয়ারি নাটোরের লালপুর উপজেলার চষুডাঙ্গা বিলের একটি গম ক্ষেত থেকে সুলতান নামের এক ব্যক্তির মরাদেহ উদ্ধোর করে পুলিশ।’