
প্রকাশ: ৩ জুলাই ২০২১, ৪:৮

লকডাউনেও চলছে জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার বিভিন্ন বাজারে গো-হাট। এতে মানছেন না কেউ স্বাস্থ্যবিধি। লকডাউনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য প্রশাসন প্রচার-প্রচারণা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত রাখলেও উপজেলার ১২টি ইউনিয়নেই হাট-বাজারগুলোতে স্বাস্থ্য সচেতনতার বালাই নেই কারো মধ্যে।
প্রশাসনের অভিযানের কথা শুনলেই মাস্ক পরাসহ অন্য বিষয়ে সচেতন হয়ে উঠে বাজারের ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা। প্রশাসনের লোকজন ফিরে গেলে আবার অসেচতন হয়ে পড়ছেন তারা। দোকান-পাট, এনজিওসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানগুলোতেও সঠিক ভাবে মানা হচ্ছেনা স্বাস্থ্যবিধি। এমনকি সরকারি নির্দেশ অমান্য করে খোলা হচ্ছে দোকান-পাটও।
সরেজমিনে দেখা গেছে, শনিবার (৩ জুলাই) বিকালে পৌর শহরের ধর্মকুড়া বাজর ও শুক্রবার দুপুরে উপজেলার নাপিতেরচর গাইবান্ধা গো-হাটে স্বাস্থ্যবিধি ভাঙ্গার মহোৎসব। এ বাজারে হুমড়ি খেতে দেখা যায় ক্রেতা-বিক্রেতাদের। কেউ পরছে না মাস্ক। মানছে না স্বাস্থ্যবিধি।
এছাড়া উপজেলার পোড়ারচর, কান্দারচর, পচাবহলা, সিরাজাদাবাদ, ডিগ্রিরচর, টানাব্রিজ, ঝগড়ারচর, মলমগঞ্জ, কুলকান্দী, কড়ইতলা, হাড়গিলা, কাজলা একতা, কাঠমা জনতা বাজারসহ বিভিন্ন বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতা কেউই মানছে না করোনা রোধে স্বাস্থ্যবিধি।

কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি

স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে নাগরিকদের সচেতন করতে দিনরাত প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস. এম. মাজহারুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) রোকনুজ্জামান খান, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার এ এ এম আবু তাহের, পুলিশের ইসলামপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. সুমন মিয়া প্রমুখ।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস. এম. মাজহারুল ইসলাম জানান, 'স্বাস্থ্যবিধি মেনে বাজার করাসহ দৈনন্দিন জীবনে সব ধরনের কাজকর্ম করতে জনগণকে সচেতন করে যাচ্ছি। লকডাউন বাস্তবায়নে নিয়মিত করে যাচ্ছি ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানও।'