
প্রকাশ: ১ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৫:৩৩

পাপীকে অবশ্যই পাপের শাস্তি ভোগ করতে হবেএটা ন্যায়বিচারের দাবি। এ শাস্তি কারো ইহকালে, আবার কারো হবে পরকালে। পার্থিব জগতে কোন পাপের কী শাস্তি হয়, এ প্রসঙ্গে শ্রেষ্ঠতম তাফসিরবিদ আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত আছে, তিনি বলেছেন, কোনো জাতির মধ্যে আত্মসাৎ করা বৃদ্ধি পেলে সে জাতির লোকদের অন্তরে ভয়ের সঞ্চার করা হয়। কোনো জাতির মধ্যে ব্যভিচার ছড়িয়ে পড়লে সেখানে মৃত্যুর হার বৃদ্ধি পায়। কোনো সম্প্রদায়ের লোকেরা পরিমাপ ও ওজনে কম দিলে তাদের রিজিক সংকুচিত করা হয়। কোনো জাতির লোকেরা অন্যায়ভাবে বিচার-ফয়সালা করলে তাদের মধ্যে রক্তপাত বিস্তৃতি লাভ করে। কোনো জাতি প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করলে আল্লাহ শত্রুদের তাদের ওপর চাপিয়ে দেন। (মুয়াত্তা মালেক, হাদিস নম্বর : ১৩২৩)

আর দ্বিতীয় কারণ হলোএমন কিছু খাঁটি বান্দা রয়েছে, যারা সদা ইস্তিগফার করেন। এ দুটি কারণে আগের মতো আজাব প্রেরিত হয় না। তা ছাড়া হাদিস শরিফে আরো একটি কারণ পাওয়া যায়। সেটি হলো, মহানবী (সা.)-এর আগমনের পর মহান আল্লাহ এ জাতিকে সমূলে ধ্বংস না করার ওয়াদা করেছেন। তাই হাজারো পাপ সত্ত্বেও বর্তমানে আগের মতো আজাব নাজিল করা হয় না।ইয়া আল্লাহ আমাদের সকলকে আখেরাতের ছামান যোগাড় করার তৌফিক দান করুন আল্লাহুম্মা আমিন।