প্রকাশ: ৬ জুলাই ২০২০, ১৭:৩৭
আজ শুক্রবার, মুসলিম উম্মাহর জন্য সপ্তাহের সর্বশ্রেষ্ঠ ও বরকতময় দিন। ইসলামে জুমার দিনের বিশেষ মর্যাদা রয়েছে। এ দিনকে ‘সাইয়্যিদুল আইয়াম’ বা সব দিনের সেরা দিন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পবিত্র এই দিনে আল্লাহ তাআলা বান্দাদের জন্য রহমত, বরকত ও ক্ষমার বিশেষ সুযোগ রেখেছেন। হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, জুমার দিনে এমন একটি মুহূর্ত রয়েছে যখন কোনো মুসলিম বান্দা একনিষ্ঠভাবে আল্লাহর কাছে দোয়া করলে
ইসলামে সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন হিসেবে জুমার দিনের বিশেষ মর্যাদা রয়েছে। পবিত্র এই দিনটি মুসলমানদের জন্য রহমত, বরকত ও ক্ষমা লাভের অন্যতম সুযোগ। কোরআন ও হাদিসে জুমার দিনের বিভিন্ন আমলের প্রতি গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। বিশেষ করে জুমার নামাজ আদায়, বেশি বেশি দরুদ শরিফ পাঠ, দোয়া, তওবা, কোরআন তিলাওয়াত এবং সূরা কাহফ পাঠের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ইসলামী চিন্তাবিদরা বলেন, জুমার দিনের
জীবনের পথে মানুষকে নানা ধরনের পরীক্ষা ও সংকটের মুখোমুখি হতে হয়। কখনো অর্থনৈতিক কষ্ট, কখনো পারিবারিক সমস্যা, আবার কখনো অসুস্থতা বা মানসিক অস্থিরতা মানুষকে দুর্বল করে তোলে। ইসলাম শিক্ষা দেয়, এসব পরিস্থিতিতে হতাশ না হয়ে ধৈর্য ধারণ এবং আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা রাখাই একজন মুমিনের সবচেয়ে বড় শক্তি। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, "নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গে আছেন।" (সূরা আল-বাকারা: ১৫৩)
ইসলামি বর্ষপঞ্জির প্রথম মাস মহররমের ১০ তারিখ, পবিত্র আশুরা মুসলিম উম্মাহর জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন। এই দিনটি শুধু ঐতিহাসিক নানা ঘটনার স্মৃতিবাহী নয়, বরং সত্য, ন্যায় ও আল্লাহর প্রতি আনুগত্যের এক অনন্য শিক্ষা বহন করে। জকিগঞ্জ উপজেলা সচেতন নাগরিক ফোরাম সিলেটের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী এক বক্তব্যে বলেন, আশুরার রোজা ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ নফল ইবাদতের অন্যতম। রমজানের রোজা ফরজ
নাহমাদুহু ওয়া নুসাল্লি আলা রাসূলিহিল কারীম, আম্মা বা’দ” প্রিয় পাঠকবৃন্দ, আজ আমি আপনাদের হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী, আপনাদের সামনে তুলে ধরতে চাই এই ফেতনার যুগে ঈমান রক্ষার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপায় নিয়ে, সেই সম্পর্কে নিম্নে সংকিপ্ত আকারে আলোচনা তুলে ধরছি, “ওয়ামা তাওফিকি ইল্লা বিল্লাহ” ঈমান শব্দের আভিধানিক অর্থ স্বীকার করা, স্বীকৃতি দেওয়া, অনুগত হওয়া মতান্তরে দৃঢ় বিশ্বাস করা। এটি কুফর বা