
প্রকাশ: ৬ মার্চ ২০২০, ১৪:৫৯

আধুনিক ও সভ্য পৃথিবী আজ ব্যস্ত ও অস্থির দুটি জিনিসের পেছনে- এক. রিজিক তথা জীবিকার অন্বেষণ। দুই. মউত তথা মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচার প্রাণপণ চেষ্টা। অথচ অবধারিত সত্য হচ্ছে- এ দুটি বিষয় অনেক আগে থেকে নির্ধারিত ও মীমাংসিত। জীবিকার জন্য মানুষ কত কিছুই না করছে! চিরসত্য হচ্ছে- ভাগ্যে যা লিপিবদ্ধ আছে, এর বাইরে কেউ কিছু অর্জন করতে পারে না।
জীবিকা প্রসঙ্গে মহাগ্রন্থ আল-কুরআনে আল্লাহপাক বলেন, ‘পৃথিবীতে চলমান সকল প্রাণীর জীবিকার দায়িত্ব আল্লাহর। তিনি তাদের অবস্থানস্থল ও সংরক্ষণস্থল জানেন। সবকিছুই এক স্পষ্ট গ্রন্থে লিপিবদ্ধ আছে’ (সূরা হুদ : ৬)। অন্যত্র আল্লাহপাক বলেন, ‘কোনো প্রাণীই জানে না, আগামীতে সে কী উপার্জন করবে এবং কেউ জানে না তার মৃত্যু কখন কোথায় হবে’ (সূরা লোকমান : ৩৪)।
আমল ২টি হলো- মুমিনের ওজু ও নামাজ।

হাদিসে এসেছে- হজরত আবু মালিক আল-আশআরি (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ওজু ঈমানের অর্ধেক। আলহামদুলিল্লাহ দাঁড়িপাল্লাকে পূর্ণ করে দেয়। সুবহানাল্লাহ ও আলহামদুলিল্লাহ একসঙ্গে আকাশমণ্ডলী ও জমিনের মধ্যবর্তী জায়গা ভর্তি করে দেয়। নামাজ হলো নূর (জ্যোতি), সদকা (দান-খয়রাত) হলো (মুক্তির) দলিল এবং ধৈর্য ও সহনশীলতা হলো আলোকবর্তিকা। কোরআন তোমার সপক্ষে অথবা বিপক্ষে সনদ বা সাক্ষ্যস্বরূপ। ভোরে উপনীত হয়ে প্রতিটি মানুষ নিজেকে বিক্রয় করে। (এর মাধ্যমে) সে নিজেকে হয় আজাদ করে অথবা ধ্বংস করে। (তিরমিজি)