শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬১৮ আশ্বিন, ১৪৩৩
logo
ENকনভার্টার
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্যান্য খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
    • আইন-আদালত
    • সাহিত্য
    • প্রবাস জীবন
    • কৃষি
    • বাংলাদেশে করোনা
    • গনমাধ্যম
    • আবহাওয়া
    • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    • ভাইরাল টপিক
    • অর্থনীতি
    • ব্যবসা ও বাণিজ্য
    • বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
    • অপরাধ
    • স্বাস্থ্য
    • ধর্ম
    • বন্যা পরিস্থিতি
    • জনদুর্ভোগ
    • প্রতিবেশী
    • পর্যটন
    • মজার খবর
    • শিক্ষা
    • শেয়ার বাজার
    • চাকুরী
    • লাইফস্টাইল
অনুসন্ধান
logo
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
logo
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
  • অনুসন্ধান করুন
  • সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা
Logo

সম্পাদক : মোঃ শওকত হায়দার (জিকো)

প্রকাশক : ইনিউজ৭১ মিডিয়া লিমিটেড

হাউজ: নাম্বার ৫৫ , দ্বিতীয় তলা, রোড নাম্বার ৬/এ , সেক্টর - ১২ উত্তরা, ঢাকা - ১২৩০ ।

ফোন: +880 258 053 897, ইমেইল: [email protected] , [email protected]

গোপনীয়তার নীতি

ব্যবহারের শর্তাবলি

যোগাযোগ

আমাদের সম্পর্কে

আমরা

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

স্বত্ব © ইনিউজ৭১.কম

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

ধর্ম

অহংকারী ব্যক্তি যে কারণে বড় গোনাহগার

Ziaul Hoque
জিয়াউল হক, নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৭:১৯

শেয়ার করুনঃ
অহংকারী ব্যক্তি যে কারণে বড় গোনাহগার

কুরআন-সুন্নাহর বর্ণনায় অহংকার অনেক বড় গোনাহ। অহংকারের মাধ্যমেই সংঘটিত হয়েছিল দুনিয়ায় প্রথম পাপ। শয়তানের অনুসরণে যে বা যারা অহংকার করবে তারাও বড় গোনাহগার। যা আল্লাহ তাআলা সহ্য করেন না।

মানুষের যেসব কাজে কবিরা গোনাহ হয়ে থাকে, তার মধ্যে অন্যতম একটি হলো অহংকার। বুঝে না বুঝে অনেকেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে অহংকার করে থাকে। অথচ অহংকার পতনের মূল।

আল্লাহ তাআলা সব ফেরেশতাকে নির্দেশ দিয়েছিলেন যে, তোমরা হজরত আদম আলাইহিস সালামকে সেজদা কর। সব ফেরেশতা সেজদা করলেও অহংকারবশতঃ ইবলিসই তা অস্বীকার করেছিল এবং অমান্য করেছিল। আর সেটিই ছিল দুনিয়ার প্রথম পাপ।

আরও

জুমার দিনে যেসব আমল বদলে দিতে পারে জীবন

জুমার দিনে যেসব আমল বদলে দিতে পারে জীবন
সে কারণে ইসলামে অহংকার সবচেয়ে বড় গোনাহের একটি। কুরআন-সুন্নাহর একাধিক স্থানে বড় বড় গোনাহের কথা উল্লেখিত হয়েছে। তুলে ধরা হয়েছে অহংকারের ক্ষতি ও শাস্তি।

মানুষ যাতে অহংকারের মতো একটি জঘন্য গোনাহ থেকে নিজেদের মুক্ত রাখতে পারে। তাই কুরআন-সুন্নায় বর্ণিত অহংকার সম্পর্কিত আয়াত ও হাদিসে ঘোষিথ তথ্যগুলো তুলে ধরা হলো। যেখানে রয়েছে অহংকারের কঠোর পরিণাম ও শাস্তির বর্ণনা। আল্লাহ তাআলা বলেন-

>> ‘তোমাদের পালনকর্তা বলেন, তোমরা আমাকে ডাক, আমি (তোমাদের ডাকে) সাড়া দেব। যারা আমার ইবাদত নিয়ে অহংকার করে তারা শীঘ্রই লাঞ্ছিত হয়ে জাহান্নামে প্রবেশ করবে।’ (সুরা মুমিন : আয়াত ৬০)

যারা আল্লাহ তাআলার দাসত্বকে লজ্জাবোধ করবে কিংবা আল্লাহকে প্রভু বলে মেনে নিতে অহংকার করবে, তাদের পরিণতি সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা হজরত ঈসা আলাইহিস সালাম ও ফেরেশতাদের উদাহরণ উল্লেখ করে ঘোষণা দেন-

আরও

মহানবী (সা.)-এর সার্বজনীন আদর্শ ও চারিত্রিক গুণাবলি

মহানবী (সা.)-এর সার্বজনীন আদর্শ ও চারিত্রিক গুণাবলি
ধর্ম
https://enews71.com/storage/ads/01M1TJ1Y03SG5Y5HBJA4PJG3XC.PNG

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

https://enews71.com/storage/ads/01KQAGP3MQSHQ8RXANFF54S1W4.jpg
>> মসীহ (ঈসা) আল্লাহর বান্দা হবেন, তাতে তার কোনো লজ্জাবোধ নেই এবং ঘনিষ্ঠ ফেরেশতাদেরও (আল্লাহর দাসত্ব করবে তাদেরও) লজ্জাবোধ নেই। বস্তুতঃ যারা আল্লাহর দাসত্ববোধকে লজ্জাবোধ করবে এবং অহংকার করবে, তিনি তাদের সবাইকে (পরকালে) নিজের কাছে সমবেত করবেন।

অতঃপর যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকাজ করেছে, তিনি তাদেরকে পরিপূর্ণ সওয়াব দান করবেন, বরং স্বীয় অনুগ্রহে আরও বেশী দেবেন। পক্ষান্তরে যারা লজ্জাবোধ করেছে এবং অহংকর করেছে তিনি তাদেরকে দেবেন বেদনাদায়ক শাস্তি। আল্লাহকে ছাড়া তারা কোনো সাহায্যকারী ও সমর্থক পাবে না। (সুরা নেসা : আয়াত ১৭২-১৭৩)

অহংকার বশতঃ যদি কেউ আল্লাহ নির্দেশ অমান্য করে তবে সে ব্যক্তি অস্বীকারকারী হিসেবে সাব্যস্ত হবে। যেমনিভাবে ইবলিস আল্লাহর দরবার থেকে বিতাড়িত হয়েছিল। আল্লাহ তাআলা সে কথা উল্লেখ করে বলেন-

এবং যখন আমি হযরত আদম (আঃ)-কে সেজদা করার জন্য ফেরেশতাগণকে নির্দেশ দিলাম, তখনই ইবলিস ব্যতিত সবাই সেজদা করলো। সে (নির্দেশ) পালন করতে অস্বীকার করল এবং অহংকার প্রদর্শন করলো। ফলে সে কাফেরদের অন্তর্ভূক্ত হয়ে গেল।’ (সুরা বাকারা : আয়াত ৩৪)

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অহংকারীদের ব্যাপারে মুমিন বান্দাকে সতর্ক করেছেন। তিনি তার উম্মতকে হুশিয়ার করে দিয়ে জানিয়েছেন কারা হবে জাহান্নামি। হাদিসে এসেছে-

হজরত হারিসাহ ইবনু ওহাব খুযায়ী রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘আমি কি তোমাদের জান্নাতীদের সম্পর্কে জানাবো না? (তারা হলেন) : ওই সব লোক- যারা অসহায় এবং যাদের তুচ্ছ মনে করা হয়। তারা যদি আল্লাহর নামে শপথ করে, তাহলে তা তিনি নিশ্চয়ই পুরা করে দেন।

আমি কি তোমাদের জাহান্নামীদের সম্পর্কে জানাবো না? তারা হলো-

>> কর্কশ স্বভাবের অধিকারী;

>> শক্ত হৃদয়ের অধিকারী এবং

>> অহংকারী।’ (বুখারি)

কুরআন সুন্নাহর আলোকে যেসব কাজে মানুষ দোষী সাব্যস্ত হয় কিংবা দোষের কারণে শাস্তির ঘোষণা পেয়ে থাকে, ইসলামি শরিয়তে সেসব কাজ কবিরা বা বড় গোনাহ হিসেবে সাব্যস্ত। তার মধ্যে অহংকার অন্যতম একটি।

https://enews71.com/storage/ads/01KQAFXVCPZYMHSTP1NK7D37C5.jpg
অহংকারের কারণেই ইবলিস বিতাড়িত হয়েছিলেন জান্নাত থেকে। আল্লাহ তাআলা তাকে জান্নাত থেকে বিতাড়িত করতে গিয়েও অহংকারের অপরাধে কথা সুস্পষ্ট করে বলেছিলেন। আল্লাহ তাআলা বলেন-

‘তুমি এ স্থান থেকে নেমে যাও; এখানে থেকে অহংকার করবে তা হতে পারে না। সুতরাং বের হয়ে যাও। তুমি অধমদের অন্তর্ভূক্ত।’ (সুরা আরাফ : আয়াত ১৩)

অহংকার মানুষকে অন্যায়ের দিকে ধাবিত করে। যে কারণে আল্লাহ তাআলা অহংকারী ব্যক্তিকে পছন্দ করেন না। আল্লাহ তাআলা বলেন-

‘নিশ্চয় আল্লাহ তাআলা কোনো উদ্ধত অহংকারীকে পছন্দ করেন না।’ (সুরা লোকমান : আয়াত ১৮)

হাদিসে কুদসিতে এসেছে অহংকার আল্লাহ তাআলা চাদর। এ চাদর ধরে যারা টানাটানি করে আল্লাহ তাআলা তা সহ্য করেন না। অহংকারকারীকে আল্লাহ তাআলা জাহান্নামে নিক্ষেপের ঘোষণা দিয়েছেন। তাই মানুষের উচিত অহংকারের মতো বড় পাপ না করা। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বর্ণনা করে বলেন, আল্লাহ তাআলা বলেছেন-

‘বড়ত্ব আমার চাদর এবং মহানত্ব আমার ইযার (লুঙ্গি)। কেউ যদি এ দুইটির কোনো একটির ব্যাপারে আমার সঙ্গে ঝগড়ায় লিপ্ত হয় তবে আমি তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করব।’ (মুসলিম, মিশকাত)

যেহেতু অহংকার জান্নাতের অন্তরায় জাহান্নামে যাওয়ার অন্যতম কারণ। তাই মুমিন মুসলমানের অহংকারমুক্ত থাকা জরুরি। হাদিসে এসেছে-

‘যার অন্তরে এক যাররা (অণু) পরিমাণ অহংকার থাকবে সে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না।’ (মুসলিম, মিশকাত)

মনে রাখতে হবে

অহংকারী ব্যক্তিও বড় গোনাহগার। কারণ শয়তানের প্রথম অপরাধই ছিল অহংকার। সুতরাং যে ব্যক্তি অহংকার করলো সে নিজেকে শয়তানের করা প্রথম গোনাহটি করে নিজেকে শয়তানের সঙ্গেই অপরাধী করে নিলো। (নাউজুবিল্লাহ)

সুতরাং মুমিন মুসলমানের উচিত কবিরা গোনাহসমূহের মধ্যে অন্যতম অহংকারের মতো জঘন্য গোনাহ থেকে নিজেকে মুক্ত রাখা। অহংকার মুক্ত থাকতে এ দোয়াটি বেশি বেশি করা-

رَبَّنَا ظَلَمْنَا أَنفُسَنَا وَإِن لَّمْ تَغْفِرْ لَنَا وَتَرْحَمْنَا لَنَكُونَنَّ مِنَ الْخَاسِرِينَ

উচ্চারণ : রাব্বানা জালামনা আংফুছানা ওয়া ইল্লাম তাগফিরলানা ওয়া তারহামনা লানা কুনান্না মিনাল খাছিরিন। (সুরা আরাফ : আয়াত ২৩)

অর্থ : ‘হে আমাদের প্রভু! নিশ্চয় আমরা আমাদের নফসের উপর অত্যাচার করেছি, আপনি যদি আমাদেরকে ক্ষমা না করেন, তবে অবশ্যই আমরা ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে অন্তর্ভূক্ত হয়ে যাবো।’

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই অহংকার মুক্ত থাকার তাওফিক দান করুন। কুরআন-সুন্নাহর ঘোষণা অনুযায়ী দুনিয়া ও পরকালের সফল জীবন লাভের তাওফিক দান করুন। আমিন।

ইনিউজ ৭১/এম.আর

   

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশিদের জন্য চার বছর পর খুলল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার

বাংলাদেশিদের জন্য চার বছর পর খুলল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার

টানা তিন দফায় কমল সোনা, ভরিতে ছাড় ৬০৬৫ টাকা

টানা তিন দফায় কমল সোনা, ভরিতে ছাড় ৬০৬৫ টাকা

মিরপুরে ফুটপাত উচ্ছেদ ঘিরে আগুন, ভাঙচুরে উত্তপ্ত পরিস্থিতি

মিরপুরে ফুটপাত উচ্ছেদ ঘিরে আগুন, ভাঙচুরে উত্তপ্ত পরিস্থিতি

ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের অনাগ্রহে আবার বাড়ল তেলের দাম

ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের অনাগ্রহে আবার বাড়ল তেলের দাম

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরে তাড়াহুড়ো নেই, দিনক্ষণও হয়নি চূড়ান্ত: দীনেশ ত্রিবেদী

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরে তাড়াহুড়ো নেই, দিনক্ষণও হয়নি চূড়ান্ত: দীনেশ ত্রিবেদী

সর্বশেষ সংবাদ

চীনের হুমকির মাঝে তাইওয়ানে পৌঁছাল মার্কিন এফ-১৬ভি

চীনের হুমকির মাঝে তাইওয়ানে পৌঁছাল মার্কিন এফ-১৬ভি

সেনাবাহিনীর নিরাপত্তায় রূপপুরে পৌঁছাল ইউরেনিয়ামের তিন লরি

সেনাবাহিনীর নিরাপত্তায় রূপপুরে পৌঁছাল ইউরেনিয়ামের তিন লরি

দুই দশক পর চট্টগ্রাম বন্দর থেকে রাসায়নিক অপসারণ শুরু

দুই দশক পর চট্টগ্রাম বন্দর থেকে রাসায়নিক অপসারণ শুরু

সম্পত্তি দান করেও আজীবন ভোগের অধিকার থাকছে দাতার

সম্পত্তি দান করেও আজীবন ভোগের অধিকার থাকছে দাতার

মানসম্মত পরীক্ষায় আইনজীবী তালিকাভুক্তি, বার কাউন্সিল ‘রোল মডেল’

মানসম্মত পরীক্ষায় আইনজীবী তালিকাভুক্তি, বার কাউন্সিল ‘রোল মডেল’

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

জুমার দিনে যেসব আমল বদলে দিতে পারে জীবন

জুমার দিনে যেসব আমল বদলে দিতে পারে জীবন

জুমার দিন মুসলমানদের জন্য সপ্তাহের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ দিন। হাদিসে এ দিনের বিশেষ ফজিলতের কথা বর্ণিত হয়েছে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জুমার দিনের মর্যাদা উল্লেখ করে এটিকে গুরুত্বপূর্ণ দিন হিসেবে তুলে ধরেছেন। এ দিনে জুমার নামাজ আদায় করা হয়, যা ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। কোরআনে জুমার নামাজের আজান হলে আল্লাহর স্মরণের দিকে এগিয়ে যেতে এবং বেচাকেনা ছেড়ে দিতে নির্দেশ দেওয়া

জুমার নামাজ মুমিনের সাপ্তাহিক ঈমান নবায়নের গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ

জুমার নামাজ মুমিনের সাপ্তাহিক ঈমান নবায়নের গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ

জুমার নামাজ ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক ইবাদত। প্রতি শুক্রবার মুসলমানরা মসজিদে একত্র হয়ে খুতবা শোনেন এবং জামাতে জুমার নামাজ আদায় করেন। কোরআনের সূরা জুমার ৯ নম্বর আয়াতে জুমার নামাজের আহ্বান হলে আল্লাহর স্মরণের দিকে এগিয়ে যেতে এবং বেচাকেনা ছেড়ে দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এতে বোঝা যায়, জুমার সময় পার্থিব ব্যস্ততার চেয়ে ইবাদতকে অগ্রাধিকার দেওয়ার গুরুত্ব রয়েছে। জুমার দিনের বিশেষ মর্যাদার কথাও

জুমার দিনের আমলেই মিলতে পারে অশেষ রহমত ও বরকত

জুমার দিনের আমলেই মিলতে পারে অশেষ রহমত ও বরকত

ইসলামে সপ্তাহের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ দিনগুলোর একটি হলো জুমার দিন। এ দিনে মুসলমানদের জন্য রয়েছে বিশেষ কিছু আমল ও ইবাদতের সুযোগ। কোরআনে জুমার নামাজের আহ্বান হলে ব্যবসা-বাণিজ্য ছেড়ে আল্লাহর স্মরণের দিকে এগিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সূরা জুমার ৯ নম্বর আয়াতে এ নির্দেশনা এসেছে। জুমার দিনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো গোসল করে পরিচ্ছন্ন হওয়া। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জুমার দিনে গোসলের

অন্যের উপকারে এগিয়ে আসার শিক্ষা ইসলামে

অন্যের উপকারে এগিয়ে আসার শিক্ষা ইসলামে

ইসলাম শুধু ইবাদতের শিক্ষা দেয় না, মানুষের প্রতি দায়িত্বশীল হওয়ারও নির্দেশ দেয়। একজন মুসলমানের উত্তম চরিত্রের অন্যতম প্রকাশ হলো অন্যের উপকারে এগিয়ে আসা। বিপদে থাকা মানুষকে সহযোগিতা করা, অসহায়কে সাহায্য করা এবং মানুষের কষ্ট লাঘবের চেষ্টা করাকে ইসলাম অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ আমল হিসেবে বিবেচনা করে। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘সৎকর্ম ও তাকওয়ায় একে অন্যকে সহযোগিতা করো।’ এই নির্দেশনা থেকে বোঝা যায়, সমাজে

শুক্রবারের আমলে মুমিনের জীবনে আসে প্রশান্তি ও বরকত

শুক্রবারের আমলে মুমিনের জীবনে আসে প্রশান্তি ও বরকত

ইসলাম ধর্মে শুক্রবার একটি বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ দিন। মুসলমানদের কাছে সপ্তাহের অন্যান্য দিনের তুলনায় জুমার দিনের গুরুত্ব ও ফজিলত অনেক বেশি। এদিন নামাজ, দোয়া, জিকির ও বিভিন্ন নেক আমলের মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের সুযোগ রয়েছে। তাই ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা শুক্রবারকে ইবাদত-বন্দেগিতে বিশেষভাবে কাজে লাগানোর চেষ্টা করেন। শুক্রবারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো জুমার নামাজ আদায় করা। প্রাপ্তবয়স্ক ও সামর্থ্যবান পুরুষ মুসলমানদের জন্য জুমার নামাজ