বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬১৩ কার্তিক, ১৪৩৩
logo
ENকনভার্টার
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্যান্য খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
    • আইন-আদালত
    • সাহিত্য
    • প্রবাস জীবন
    • কৃষি
    • বাংলাদেশে করোনা
    • গনমাধ্যম
    • আবহাওয়া
    • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    • ভাইরাল টপিক
    • অর্থনীতি
    • ব্যবসা ও বাণিজ্য
    • বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
    • অপরাধ
    • স্বাস্থ্য
    • ধর্ম
    • বন্যা পরিস্থিতি
    • জনদুর্ভোগ
    • প্রতিবেশী
    • পর্যটন
    • মজার খবর
    • শিক্ষা
    • শেয়ার বাজার
    • চাকুরী
    • লাইফস্টাইল
অনুসন্ধান
logo
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
logo
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
  • অনুসন্ধান করুন
  • সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা
Logo

সম্পাদক : মোঃ শওকত হায়দার (জিকো)

প্রকাশক : ইনিউজ৭১ মিডিয়া লিমিটেড

হাউজ: নাম্বার ৫৫ , দ্বিতীয় তলা, রোড নাম্বার ৬/এ , সেক্টর - ১২ উত্তরা, ঢাকা - ১২৩০ ।

ফোন: +880 258 053 897, ইমেইল: [email protected] , [email protected]

গোপনীয়তার নীতি

ব্যবহারের শর্তাবলি

যোগাযোগ

আমাদের সম্পর্কে

আমরা

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

স্বত্ব © ইনিউজ৭১.কম

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

ধর্ম

স্ত্রীর প্রতি স্বামীর আচরণ ও করণীয়

Ziaul Hoque
জিয়াউল হক, নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১৯ জুলাই ২০২২, ১৬:৪১

শেয়ার করুনঃ
স্ত্রীর প্রতি স্বামীর আচরণ ও করণীয়

হজরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহাকে জিজ্ঞাসা করা হলো, নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কি ঘরে (স্ত্রীদের সহযোগিতায়) কাজ করতেন? উত্তরে হজরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঘরের মানুষদের সেবায় নানা কাজে অংশ নিতেন। নামাজের সময় হলে বেরিয়ে যেতেন। (বুখারি)

স্ত্রীর সঙ্গে স্বামীর আচরণ হবে উত্তম। স্ত্রীর সঙ্গে উত্তম আচরণ করা স্বয়ং নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাত। তিনি তাঁর স্ত্রীদের সঙ্গে উত্তম আচরণ করতেন। নবিজীর আচরণ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করা উম্মতের জন্য  একান্ত আবশ্যক। কারণ স্ত্রীদের প্রতি উত্তম আচরণ ও করণীয় সম্পর্কে সার্বিক সহযোগিতায় নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ছিলেন এক অনুকরণীয় আদর্শ। হাদিসের একাধিক বর্ণনায় তা প্রমাণিত।

আরও

অন্যের উপকারে এগিয়ে আসার শিক্ষা ইসলামে

অন্যের উপকারে এগিয়ে আসার শিক্ষা ইসলামে

নবিজী নিজের কাজ নিজে করতেন। ঘরের কাজে স্ত্রীদের সহযোগিতা করতেন। হাদিসে এসেছে-

আল্লামা ইবনে হাজার আসকালানি বলেন, উম্মুল মুমিনিন হজরত আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেছেন, ‘রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজ হাতে তাঁর কাপড় সেলাই করতেন; নিজের জুতা মেরামত করতেন এবং সাংসারিক যাবতীয় কাজে অংশ গ্রহণ করতেন।’ (ফতহুল বারি)

আরও

পবিত্র জমাদিউল আউয়াল মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত

পবিত্র জমাদিউল আউয়াল মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত

কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি

https://enews71.com/storage/ads/01M1TJ1Y03SG5Y5HBJA4PJG3XC.PNG

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

https://enews71.com/storage/ads/01KQAGP3MQSHQ8RXANFF54S1W4.jpg

আল্লাহ তাআলা কোরআনুল কারিমে স্বামী-স্ত্রীকে পরস্পর এক বলে সম্বোধন করেছেন। আল্লাহ তাআলা বলেন-

فَاسۡتَجَابَ لَهُمۡ رَبُّهُمۡ اَنِّیۡ لَاۤ اُضِیۡعُ عَمَلَ عَامِلٍ مِّنۡکُمۡ مِّنۡ ذَکَرٍ اَوۡ اُنۡثٰی ۚ بَعۡضُکُمۡ مِّنۡۢ بَعۡضٍ

‘এরপর তাদের প্রভু তাদের দোয়া (এই বলে) কবুল করে নিলেন যে, আমি তোমাদের কোনো পরিশ্রমকারীর পরিশ্রমই বিনষ্ট করি না, তা সে পুরুষ হোক কিংবা স্ত্রীলোক। তোমরা পরস্পর এক।’ (সুরা ইমরান : আয়াত ১৯৫)

কোরআনের ঘোষণা নারীর প্রতি পুরুষের আচরণ এবং পুরুষের প্রতি নারীর আচরণ হবে সুন্দর ও সযোগিতাপূর্ণ। কেউ কারো প্রতি বিরূপ আচরণ করবে না। তবেই স্বামী-স্ত্রীর মাঝে তৈরি হবে সুসম্পর্ক ও মধুর বন্ধন। এ লক্ষ্যে স্বামী-স্ত্রী একে অপরের প্রতি যথাযথ মর্যাদা দেবে। অনেক ক্ষেত্রে স্বামীর কাছ থেকে যেমন স্ত্রীরা যথাযথ মর্যাদা পায় না। তেমনি স্ত্রীদের কাছ থেকেও স্বামীরা যথাযথ মর্যাদা পায় না। যার ফলে পারিবারিক জীবনে শুরু হয় অশান্তি। এমনটি কাম্য নয়।

স্ত্রীর সঙ্গে স্বামীর করণীয়

স্বামীর সবচেয়ে বড় গুণ হলো স্ত্রীর প্রতি সদাচরণ করা। স্ত্রীকে তার কাজে সহযোগিতা ও সম্মান করা। বিশেষ করে স্ত্রীর সঙ্গে স্বামী আচরণগুলো হওয়া উচিত এমন-

১. সবসময় স্ত্রীর সঙ্গে ভালো আচরণ করা।

২. স্ত্রীর কোনো কথা বা কাজে কষ্ট পেলে ধৈর্য ধারণ করা।

৩. স্ত্রীর উচ্ছৃঙ্খল বা অন্যায় চলাফেরায় তাকে বার বার কোমল ও নম্র ভাষায় বোঝানো।

৪. সামান্য অজুহাতে স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া-বিবাদ না করা। সুযোগ পেলেই কথায় কথায় ধমক না দেওয়া এবং রাগ না করা।

৫. আত্মমর্যাদায় আঘাত আসে এমন বিষয় নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে কথা না বলা। এ ধরনের কোনো পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে সংযত থাকা।

৬. অকারণে সন্দেহবশতঃ স্ত্রীর প্রতি কুধারণা না করা।

https://enews71.com/storage/ads/01KQAFXVCPZYMHSTP1NK7D37C5.jpg

৭. স্ত্রীর প্রতি দায়িত্ব পালন ও খোঁজ-খবর রাখাসহ যথাযথ আদর-যত্নে উদাসীন না থাকা।

৮. সামর্থ্যানুযায়ী স্ত্রীকে যথাযথা খোরপোষ দেওয়া। আবার খোরপোষের নামে অযথা অপচয় যেন না হয় সে দিকেও লক্ষ্য রাখা।

৯. নামাজ এবং দ্বীনের আহকাম মেনে চলার ব্যাপারে স্ত্রীকে উৎসাহিত করা এবং বোঝানো।

১০.  পবিত্র ও দাম্পত্য জীবনের বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ মাসআলা ও নিয়ম-কানুনগুলো স্ত্রীকে ভালোভাবে শেখানোর ব্যবস্থা করা। ইসলামি শরিয়তের পরিপন্থী কাজ থেকে বিরত রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করা।

১১. একাধিক স্ত্রী থাকলে সবসময় সবার মাঝে সমতা রক্ষার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া জরুরি।

১২. স্ত্রীর চাহিদানুযায়ী তাদের সঙ্গে সময় দেওয়া। মেলামেশা ও ওঠা-বসায় তাদের চাহিদার প্রতি সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া। এমনকি তাদের মতামতের ব্যাপারেও সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া আবশ্যক।

১৩. স্ত্রীর অনুমতি ছাড়া (মেলামেশায়) আজল না করা। অর্থাৎ মেলামেশার সময় শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত স্বাভাবিক স্থান ত্যাগ না করা।

১৪. একান্ত নিরুপায় না হলে স্ত্রীকে তালাক না দেওয়া। কেননা ইসলামে সবচেয়ে নিকৃষ্ট বৈধ কাজ হলো তালাক। যদি তালাক দিতেই হয় তবে ইসলামি শরিয়তের আলোকে তালাক প্রদান করা।

১৫. স্ত্রীর স্বাভাবিক চাহিদা অনুযায়ী থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করা স্বামীর দায়িত্ব। সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে এ দায়িত্ব পালন করা।

১৬. স্ত্রীকে নিয়ে মাঝে মাঝে স্ত্রীর নিকটাত্মীয়দের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাত করতে যাওয়া। স্বামী যদি একান্তই সময় না পায় তবে অন্তত স্ত্রীকে তার আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাতের সুযোগ করে দেওয়া।

১৭. কোনোভাবেই স্ত্রীর ব্যাপারে কিংবা দাম্পত্য জীবনে স্ত্রীর সঙ্গে মেলামেশার বর্ণনা বা চিত্র অন্য কারো কাছে প্রকাশ না করা স্বামীর একান্ত কর্তব্য।

১৮. স্ত্রীর অধিকারের প্রতি সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার পরও যদি স্ত্রী বেপরোয়া হয় তবে প্রয়োজনে স্ত্রীকে প্রথমে বারবার সতর্ক করা। এরপর ইসলামের নির্দেশনা অনুসারে হালকা শাসন করা। তবে ইসলামি শরীয়ত যতটুকু অনুমতি দিয়েছে তার চেয়ে বেশি শাসন না করা। সর্বোপরি প্রয়োজনে পারস্পরিক সমযোতার মাধ্যমে আলাদা হয়ে যাওয়া।

সুখ-শান্তিময় পারিবারিক দাম্পত্য জীবনের জন্য সব স্বামীর উচিত, তাদের স্ত্রীদের কাজের মৌখিক স্বীকৃতি ও প্রশংসার পাশাপাশি সাংসারিক কাজে সামান্য সময়ের জন্য হলেও স্ত্রীকে সহযোগিতা করা। তবেই স্ত্রীর সঙ্গে স্বামীর সুসম্পর্ক বজায় থাকবে। পারিবারিক জীবনে অনিন্দ্য সুন্দর শান্তিপূর্ণ সংসারের প্রতিচ্ছবি ফুটে ওঠবে।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহর সব স্বামীকে তাদের স্ত্রীর প্রতি সদাচরণ, সহযোগিতা ও সম্মান করার তাওফিক দান করুন। শান্তিপূর্ণ পরিবার গঠনে স্ত্রীর প্রতি সার্বিক সমর্থন, সদাচরণ ও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।

সর্বশেষ সংবাদ

জামায়াতের ওপর ক্ষোভ, দুধ দিয়ে গোসল করে সমর্থন ছাড়লেন ফারুক

জামায়াতের ওপর ক্ষোভ, দুধ দিয়ে গোসল করে সমর্থন ছাড়লেন ফারুক

পাঁচবিবিতে সোনালী অতীত ফুটবল ক্লাবের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

পাঁচবিবিতে সোনালী অতীত ফুটবল ক্লাবের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

ফুলবাড়ী সীমান্তে ভারতীয় নেশাজাতীয় ট্যাবলেটসহ যুবক আটক

ফুলবাড়ী সীমান্তে ভারতীয় নেশাজাতীয় ট্যাবলেটসহ যুবক আটক

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক কিলোমিটারে নতুন ক্লিনিক নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক কিলোমিটারে নতুন ক্লিনিক নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

২০২৭ সালের মধ্যে ৭০ শতাংশ লেনদেন নগদবিহীন করার লক্ষ্য

২০২৭ সালের মধ্যে ৭০ শতাংশ লেনদেন নগদবিহীন করার লক্ষ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যেদিন ইরানে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল

যেদিন ইরানে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল

পিএইচপির নিরাপত্তাত্রুটিতে বিশ্বজুড়ে ওয়েবসাইট বন্ধ, সাইবার হামলার আশঙ্কা

পিএইচপির নিরাপত্তাত্রুটিতে বিশ্বজুড়ে ওয়েবসাইট বন্ধ, সাইবার হামলার আশঙ্কা

সোনারগাঁয়ে বাসায় ফেরার পথে যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

সোনারগাঁয়ে বাসায় ফেরার পথে যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা, সরকারি চালও জোটেনি ৩ হাজার ২৯৪ জেলের

২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা, সরকারি চালও জোটেনি ৩ হাজার ২৯৪ জেলের

সাইবার নিরাপত্তা আইন সংশোধনে কাজ চলছে: তথ্যমন্ত্রী পার্থ

সাইবার নিরাপত্তা আইন সংশোধনে কাজ চলছে: তথ্যমন্ত্রী পার্থ

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

পিতা-মাতার সন্তুষ্টিতেই আল্লাহর সন্তুষ্টি, সদ্ব্যবহার সন্তানের অপরিহার্য কর্তব্য

পিতা-মাতার সন্তুষ্টিতেই আল্লাহর সন্তুষ্টি, সদ্ব্যবহার সন্তানের অপরিহার্য কর্তব্য

ইসলামে পিতা-মাতার প্রতি শ্রদ্ধা, আনুগত্য ও সদ্ব্যবহারকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। মহান আল্লাহর ইবাদতের নির্দেশ দেওয়ার পরই পবিত্র কোরআনে পিতা-মাতার সঙ্গে উত্তম আচরণের নির্দেশ এসেছে। এ কারণে তাঁদের অধিকার রক্ষা করা প্রত্যেক সন্তানের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকীর আলোচনায় পিতা-মাতার মর্যাদা ও তাঁদের প্রতি সন্তানের কর্তব্যের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, পিতা-মাতার সন্তুষ্টি অর্জন এবং

পবিত্র জমাদিউল আউয়াল মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত

পবিত্র জমাদিউল আউয়াল মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত

নাহমাদুহু ওয়া নুসাল্লি আলা রাসূলিহিল কারীম, আম্মা বা’দ, আরবের শীতকাল জমাদিউল আউয়াল। আরবি বর্ষপঞ্জি বা হিজরি সনের পঞ্চম মাস হলো ‘জমাদিউল আউয়াল’। এর জোড়া মাস হলো ‘জমাদিউস সানি’, এটি হিজরি আরবি সনের ষষ্ঠ মাস। আমাদের ভারতীয় উপমহাদেশে এই মাস দুটি ‘জমাদিউল আউয়াল’ ও ‘জমাদিউস সানি’ নামে সমধিক পরিচিত। এর বাংলা অর্থ হলো প্রথম জমাদা ও দ্বিতীয় জমাদা বা প্রথম শীত ও

পবিত্র জুমার দিনের ফজিলত: যে আমলগুলোতে মিলতে পারে অশেষ সওয়াব

পবিত্র জুমার দিনের ফজিলত: যে আমলগুলোতে মিলতে পারে অশেষ সওয়াব

মুসলিম উম্মাহর কাছে শুক্রবার একটি বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ দিন। ইসলামে এ দিনকে সাপ্তাহিক ঈদের দিন বলা হয়। জুমার দিন মুসলমানরা মসজিদে সমবেত হয়ে জুমার নামাজ আদায় করেন, আল্লাহর ইবাদতে মশগুল হন এবং নিজেদের ভুল-ত্রুটির জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন। ইসলামি বিশ্বাস অনুযায়ী, শুক্রবার এমন একটি দিন, যেদিন আল্লাহর রহমত ও ক্ষমা লাভের বিশেষ সুযোগ রয়েছে। তাই এ দিনটি শুধু আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না

জুমার দিনে যেসব আমল বদলে দিতে পারে জীবন

জুমার দিনে যেসব আমল বদলে দিতে পারে জীবন

জুমার দিন মুসলমানদের জন্য সপ্তাহের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ দিন। হাদিসে এ দিনের বিশেষ ফজিলতের কথা বর্ণিত হয়েছে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জুমার দিনের মর্যাদা উল্লেখ করে এটিকে গুরুত্বপূর্ণ দিন হিসেবে তুলে ধরেছেন। এ দিনে জুমার নামাজ আদায় করা হয়, যা ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। কোরআনে জুমার নামাজের আজান হলে আল্লাহর স্মরণের দিকে এগিয়ে যেতে এবং বেচাকেনা ছেড়ে দিতে নির্দেশ দেওয়া

জুমার নামাজ মুমিনের সাপ্তাহিক ঈমান নবায়নের গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ

জুমার নামাজ মুমিনের সাপ্তাহিক ঈমান নবায়নের গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ

জুমার নামাজ ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক ইবাদত। প্রতি শুক্রবার মুসলমানরা মসজিদে একত্র হয়ে খুতবা শোনেন এবং জামাতে জুমার নামাজ আদায় করেন। কোরআনের সূরা জুমার ৯ নম্বর আয়াতে জুমার নামাজের আহ্বান হলে আল্লাহর স্মরণের দিকে এগিয়ে যেতে এবং বেচাকেনা ছেড়ে দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এতে বোঝা যায়, জুমার সময় পার্থিব ব্যস্ততার চেয়ে ইবাদতকে অগ্রাধিকার দেওয়ার গুরুত্ব রয়েছে। জুমার দিনের বিশেষ মর্যাদার কথাও