শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬১৬ কার্তিক, ১৪৩৩
logo
ENকনভার্টার
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্যান্য খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
    • আইন-আদালত
    • সাহিত্য
    • প্রবাস জীবন
    • কৃষি
    • বাংলাদেশে করোনা
    • গনমাধ্যম
    • আবহাওয়া
    • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    • ভাইরাল টপিক
    • অর্থনীতি
    • ব্যবসা ও বাণিজ্য
    • বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
    • অপরাধ
    • স্বাস্থ্য
    • ধর্ম
    • বন্যা পরিস্থিতি
    • জনদুর্ভোগ
    • প্রতিবেশী
    • পর্যটন
    • মজার খবর
    • শিক্ষা
    • শেয়ার বাজার
    • চাকুরী
    • লাইফস্টাইল
অনুসন্ধান
logo
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
logo
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
  • অনুসন্ধান করুন
  • সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা
Logo

সম্পাদক : মোঃ শওকত হায়দার (জিকো)

প্রকাশক : ইনিউজ৭১ মিডিয়া লিমিটেড

হাউজ: নাম্বার ৫৫ , দ্বিতীয় তলা, রোড নাম্বার ৬/এ , সেক্টর - ১২ উত্তরা, ঢাকা - ১২৩০ ।

ফোন: +880 258 053 897, ইমেইল: [email protected] , [email protected]

গোপনীয়তার নীতি

ব্যবহারের শর্তাবলি

যোগাযোগ

আমাদের সম্পর্কে

আমরা

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

স্বত্ব © ইনিউজ৭১.কম

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

ধর্ম

হালাল ও হারাম, আল্লাহর নির্ধারিত সীমারেখা

Ziaul Hoque
জিয়াউল হক, নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১৬ আগস্ট ২০২১, ১৫:৪৬

শেয়ার করুনঃ
হালাল ও হারাম, আল্লাহর নির্ধারিত সীমারেখা

হালাল ও হারাম ইসলামী শরিয়তের গুরুত্বপূর্ণ দুটি পরিভাষা। সাধারণত ইসলামী শরিয়তের দৃষ্টিতে সব বৈধ বিষয়কে হালাল ও সব অবৈধ বিষয়কে হারাম বলা হয়।হালাল ও হারাম আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত। তাই প্রত্যেক মুমিন নিঃসংকোচে তার অনুসরণ করে। কেননা সে বিশ্বাস করে, ‘তিনি তাদের জন্য পবিত্র (ও উত্তম) বস্তু হালাল করেছেন এবং অপবিত্র (ও অনুত্তম) বস্তু হারাম করেছেন। ’ (সুরা আরাফ, আয়াত : ১৫৭)আল্লাহর নির্ধারিত সীমা : মুমিনের জন্য হালাল ও হারাম আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত সীমা। কোরআনে আল্লাহ এই সীমারেখা অতিক্রম করতে নিষেধ করেছেন। ইরশাদ হয়েছে, ‘এটি আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত সীমা। সুতরাং তোমরা তা লঙ্ঘন কোরো না। যে ব্যক্তি আল্লাহর সীমা লঙ্ঘন করে তারাই অবিচারী। ’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ২২৯)

নির্ধারণের অধিকার শুধু আল্লাহর : হালাল ও হারাম নির্ধারণের অধিকার শুধু আল্লাহর। আল্লাহ এই অধিকার আর কাউকে দেননি। ইরশাদ হয়েছে, ‘বলুন, তোমরা কি ভেবে দেখেছ আল্লাহ তোমাদের যে জীবিকা দিয়েছেন তোমরা যে তার কিছু হালাল ও কিছু হারাম করেছ? বলুন, আল্লাহ কি তোমাদের এর অনুমতি দিয়েছেন, নাকি তোমরা আল্লাহর প্রতি মিথ্যারোপ করছ?’ (সুরা ইউনুস, আয়াত : ৫৯)

আরও

জুমার দিনের আমলেই মিলতে পারে অশেষ রহমত ও বরকত

জুমার দিনের আমলেই মিলতে পারে অশেষ রহমত ও বরকত

হালাল ও হারাম ঈমানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট : আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাতের বিশ্বাস মতে, কোনো ব্যক্তি যদি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত কোনো হালাল বস্তুকে হারাম এবং হারাম বস্তুকে হালাল মনে করে, তাহলে তার ঈমান নষ্ট হয়ে যাবে। পবিত্র কোরআনে এই শ্রেণির মানুষের সঙ্গে যুদ্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। ইরশাদ হয়েছে, ‘আহলে কিতাবদের মধ্যে যারা আল্লাহর ওপর ঈমান আনে না ও পরকালের প্রতিও নয়; আর আল্লাহ ও তাঁর রাসুল যা হারাম করেছেন তা হারাম গণ্য করে না এবং সত্য দ্বিনের অনুসরণ করে না, তাদের সঙ্গে যুদ্ধ করবে—যে পর্যন্ত না তারা নত হয়ে নিজ হাতে জিজিয়া দেয়। ’ (সুরা তাওবা, আয়াত : ২৯)

মুমিনের পরিচয়ের অংশ : হালালকে হালাল মনে করা এবং হারামকে হারাম মনে করা মুমিনের পরিচয়ের অংশ। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি কোরআন পাঠ করেছে এবং তা মুখস্থ রেখেছে আর এর হালালকে হালাল এবং হারামকে হারাম মেনেছে, তাকে আল্লাহ জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। ’ (সুনানে তিরমিজি, হাদিস : ২৯০৬)হালালকে হারাম বলা জঘন্য অপরাধ : কোনো হালাল বস্তুকে হারাম বলা আল্লাহর প্রতি অপবাদ দেওয়ার নামান্তর। আল্লাহ বলেন, ‘তোমাদের জিহ্বা মিথ্যারোপ করে বলে আল্লাহর প্রতি মিথ্যারোপ করার জন্য তোমরা বোলো না এটা হালাল এবং এটা হারাম। ’ (সুরা নাহল, আয়াত : ১১৬)

সীমারেখাহালালহারামআল্লাহ
https://enews71.com/storage/ads/01M1TJ1Y03SG5Y5HBJA4PJG3XC.PNG

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

https://enews71.com/storage/ads/01KQAGP3MQSHQ8RXANFF54S1W4.jpg

আরও

অন্যের উপকারে এগিয়ে আসার শিক্ষা ইসলামে

অন্যের উপকারে এগিয়ে আসার শিক্ষা ইসলামে

হালালকে হারাম করা সীমা লঙ্ঘন : কোনো হালাল বস্তুকে হারাম মনে করা বা হারামতুল্য মনে করে তা পরিহার করা সীমা লঙ্ঘন। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘হে মুমিনরা, আল্লাহ তোমাদের জন্য উত্কৃষ্ট যেসব বস্তু হালাল করেছেন, সেসবকে তোমরা হারাম কোরো না এবং সীমা লঙ্ঘন কোরো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ সীমা লঙ্ঘনকারীদের পছন্দ করেন না। ’ (সুরা মায়িদা, আয়াত : ৮৭)

হালাল বস্তু পরিহার করা অশোভনীয় : আল্লাহ মানুষের জন্য যা কিছু বৈধ করেছেন যা পরিহার করা মুমিনের জন্য শোভনীয় নয়। কেননা আল্লাহ বলেন, ‘বলুন! আল্লাহ স্বীয় বান্দাদের জন্য যেসব শোভার বস্তু ও বিশুদ্ধ জীবিকা সৃষ্টি করেছেন তা কে হারাম করেছে? বলুন! পার্থিব জীবনে বিশেষ করে কিয়ামতের দিন এসব তাদের জন্য, যারা ঈমান আনে। ’ (সুরা আরাফ, আয়াত : ৩২)

হালাল পরিহার বঞ্চিত হওয়ার নামান্তর : আল্লাহ যেসব বস্তু হালাল করেছেন তা পরিহার করা আল্লাহর অনুগ্রহ থেকে বঞ্চিত হওয়ারই নামান্তর। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তারা তাদের ধারণা অনুসারে বলে, এসব গবাদি পশু ও শস্য ক্ষেত নিষিদ্ধ; আমি যাকে ইচ্ছা করি সে ছাড়া কেউ এসব আহার করতে পারবে না। ’ (সুরা আনআম, আয়াত : ১৩৮)মানুষের সন্তুষ্টির জন্য হালাল বস্তু বর্জন নয় : কোনো মানুষকে সন্তুষ্ট করার জন্য আল্লাহ যা বৈধ করেছেন তা পরিহার করার অবকাশ নেই। ইরশাদ হয়েছে, ‘হে নবী, আল্লাহ আপনার জন্য যা বৈধ করেছেন আপনি তা নিষিদ্ধ করছেন কেন? আপনি তো আপনার স্ত্রীদের সন্তুষ্টি চাচ্ছেন, আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। ’ (সুরা তাহরিম, আয়াত : ১)

https://enews71.com/storage/ads/01KQAFXVCPZYMHSTP1NK7D37C5.jpg

হালাল-হারাম সম্পর্কের ঊর্ধ্বে : আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত হালাল ও হারামের বিধান যেকোনো ধরনের সম্পর্ক ও সম্প্রীতির ঊর্ধ্বে। এ জন্য ইহুদি ধর্ম ত্যাগের পরও সাহাবি আবদুল্লাহ ইবনে সালাম ও তাঁর সঙ্গীরা যখন শনিবারকে মর্যাদার চোখে দেখতেন এবং উটের গোশত খেতে অপছন্দ করতেন, তখন আল্লাহ তাআলা তাদের সতর্ক করে বলেন, ‘হে মুমিনরা, তোমরা ইসলামে পূর্ণরূপে প্রবেশ করো এবং শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ কোরো না। ’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ২০৮; বিস্তারিত : তাফসিরে তাবারি)

হালাল বর্জনকারীদের প্রতি নবীজির হুঁশিয়ারি : যখন মদিনার একদল সাহাবি নিজেদের ওপর কঠোরতা আরোপ করেছেন এবং বৈধ জিনিস নিজেদের জন্য নিষিদ্ধ করেছেন বলে প্রকাশ পায়, তখন মহানবী (সা.) বলেন, ‘সাবধান! চরমপন্থীরা ধ্বংস হয়েছে। তিনি এ কথা তিনবার বলেন। ’ (সুনানে আবি দাউদ, হাদিস : ৪৬০৮) হালাল বস্তু কখন পরিহার করা বৈধ : কোনো হালাল বস্তুকে হালাল মনে করার পর যদি ইসলামে অনুমোদিত কোনো কারণে কেউ তা পরিহার করে, তাহলে তার অবকাশ আছে। যেমন—

১. সন্দেহযুক্ত হওয়া : কোনো হালাল বস্তু যদি সন্দেহযুক্ত হয় তাহলে তা পরিহারের সুযোগ আছে। কেননা রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে সন্দেহজনক জিনিস থেকে বেঁচে থাকবে সে নিজের দ্বিন ও সম্মানকে রক্ষা করবে। ’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৫২)

২. চিকিৎসকের বারণ থাকা : যখন কোনো দ্বিনদার চিকিৎসক রোগীর জন্য কোনো হালাল বস্তু ক্ষতিকর মন্তব্য করেন, তখন তা পরিহার করা বৈধ। যেমন ডায়েবেটিক রোগীর জন্য চিনি না খাওয়া।

৩. হারামের দিকে নিয়ে যাওয়ার ভয় থাকা : কোনো হালাল জিনিস দ্বারা যদি কারো ভেতর মন্দ প্রবণতা তৈরির ভয় থাকে, তাহলে পরিহার করা বৈধ। যেমন—এমন ঝাঁঝালো পানীয় পরিহার করা, যা ব্যক্তিকে মদপানে উৎসাহিত করতে পারে। (হেদায়া, পানীয় অধ্যায়)

৪. স্বভাবজাত অপছন্দ : কোনো বস্তুকে নিজের ও অন্যের জন্য বৈধ মনে করার পরও ব্যক্তিগত অপছন্দের জন্য তা এড়িয়ে যাওয়া বৈধ। মায়মুনা (রা.)-এর ঘরে গেলে তিনি রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সামনে ‘দব’ (গুইসাপ সদৃশ একটি মরুচারী প্রাণী) পেশ করেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) তা থেকে হাত উঠিয়ে নিলে খালিদ বিন ওয়ালিদ (রা.) বলেন, হে আল্লাহর রাসুল, দব খাওয়া কি হারাম? তিনি বলেন, না। কিন্তু যেহেতু এটা আমাদের এলাকায় নেই। তাই এটি খাওয়া আমি পছন্দ করি না। খালিদ (রা.) বলেন, আমি সেটা টেনে নিয়ে খেতে থাকলাম। আর রাসুলুল্লাহ (সা.) আমার দিকে তাকিয়ে থাকলেন। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৫৩৯১)

জনপ্রিয় সংবাদ

পিতা-মাতার সন্তুষ্টিতেই আল্লাহর সন্তুষ্টি, সদ্ব্যবহার সন্তানের অপরিহার্য কর্তব্য

পিতা-মাতার সন্তুষ্টিতেই আল্লাহর সন্তুষ্টি, সদ্ব্যবহার সন্তানের অপরিহার্য কর্তব্য

মাদক থেকে টাকা না পেলেই পুলিশকে অকার্যকর বলেন সাংবাদিকেরা: আইজিপি

মাদক থেকে টাকা না পেলেই পুলিশকে অকার্যকর বলেন সাংবাদিকেরা: আইজিপি

দেশের ৮৫ সাব-রেজিস্ট্রারকে একযোগে বদলি, যোগদানের শেষ সময় ২৯ অক্টোবর

দেশের ৮৫ সাব-রেজিস্ট্রারকে একযোগে বদলি, যোগদানের শেষ সময় ২৯ অক্টোবর

২০ শতাংশ জমিতে কেরালা শিম চাষে দেড় লাখ টাকা লাভের স্বপ্ন

২০ শতাংশ জমিতে কেরালা শিম চাষে দেড় লাখ টাকা লাভের স্বপ্ন

বিদেশে বাংলাদেশিদের কনস্যুলার সহায়তায় ব্যর্থতার অভিযোগে হাইকোর্টে রিট

বিদেশে বাংলাদেশিদের কনস্যুলার সহায়তায় ব্যর্থতার অভিযোগে হাইকোর্টে রিট

সর্বশেষ সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্ভাব্য সমঝোতা: তৃতীয় দেশে ইউরেনিয়াম সরানো ও হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার প্রস্তাব

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্ভাব্য সমঝোতা: তৃতীয় দেশে ইউরেনিয়াম সরানো ও হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার প্রস্তাব

এইচএসসি ফলাফলে প্রকৃত চিত্র প্রকাশের সাহস দেখিয়েছে সরকার: সারজিস আলম

এইচএসসি ফলাফলে প্রকৃত চিত্র প্রকাশের সাহস দেখিয়েছে সরকার: সারজিস আলম

সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তার মৃত্যু: বন্ধুস্থানীয় দীপের ৪ দিনের রিমান্ড

সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তার মৃত্যু: বন্ধুস্থানীয় দীপের ৪ দিনের রিমান্ড

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে হবে, বিএনপিকে হুঁশিয়ারি জামায়াত আমিরের

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে হবে, বিএনপিকে হুঁশিয়ারি জামায়াত আমিরের

এইচএসসির ফল প্রকাশ: বরিশাল বোর্ডে সবার পেছনে ঝালকাঠি

এইচএসসির ফল প্রকাশ: বরিশাল বোর্ডে সবার পেছনে ঝালকাঠি

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

আল্লাহর সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়াই মুমিনের জীবনের সবচেয়ে বড় সাফল্য

আল্লাহর সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়াই মুমিনের জীবনের সবচেয়ে বড় সাফল্য

মানুষের জীবনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও গভীর সম্পর্ক হওয়া উচিত মহান আল্লাহর সঙ্গে। তাঁর প্রতি ভালোবাসা, আনুগত্য, কৃতজ্ঞতা ও ভয় অন্তরে ধারণ করার মধ্য দিয়েই একজন মুমিন প্রকৃত ঈমানি জীবনের পরিচয় দেন। ইসলামী চিন্তাবিদ ও লেখক হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী তাঁর আলোচনায় আল্লাহর সঙ্গে বান্দার সুসম্পর্ক বজায় রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি বলেন, মহান আল্লাহ মানুষকে সৃষ্টি করেছেন এবং মাতৃগর্ভে বিভিন্ন

পিতা-মাতার সন্তুষ্টিতেই আল্লাহর সন্তুষ্টি, সদ্ব্যবহার সন্তানের অপরিহার্য কর্তব্য

পিতা-মাতার সন্তুষ্টিতেই আল্লাহর সন্তুষ্টি, সদ্ব্যবহার সন্তানের অপরিহার্য কর্তব্য

ইসলামে পিতা-মাতার প্রতি শ্রদ্ধা, আনুগত্য ও সদ্ব্যবহারকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। মহান আল্লাহর ইবাদতের নির্দেশ দেওয়ার পরই পবিত্র কোরআনে পিতা-মাতার সঙ্গে উত্তম আচরণের নির্দেশ এসেছে। এ কারণে তাঁদের অধিকার রক্ষা করা প্রত্যেক সন্তানের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকীর আলোচনায় পিতা-মাতার মর্যাদা ও তাঁদের প্রতি সন্তানের কর্তব্যের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, পিতা-মাতার সন্তুষ্টি অর্জন এবং

পবিত্র জমাদিউল আউয়াল মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত

পবিত্র জমাদিউল আউয়াল মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত

নাহমাদুহু ওয়া নুসাল্লি আলা রাসূলিহিল কারীম, আম্মা বা’দ, আরবের শীতকাল জমাদিউল আউয়াল। আরবি বর্ষপঞ্জি বা হিজরি সনের পঞ্চম মাস হলো ‘জমাদিউল আউয়াল’। এর জোড়া মাস হলো ‘জমাদিউস সানি’, এটি হিজরি আরবি সনের ষষ্ঠ মাস। আমাদের ভারতীয় উপমহাদেশে এই মাস দুটি ‘জমাদিউল আউয়াল’ ও ‘জমাদিউস সানি’ নামে সমধিক পরিচিত। এর বাংলা অর্থ হলো প্রথম জমাদা ও দ্বিতীয় জমাদা বা প্রথম শীত ও

পবিত্র জুমার দিনের ফজিলত: যে আমলগুলোতে মিলতে পারে অশেষ সওয়াব

পবিত্র জুমার দিনের ফজিলত: যে আমলগুলোতে মিলতে পারে অশেষ সওয়াব

মুসলিম উম্মাহর কাছে শুক্রবার একটি বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ দিন। ইসলামে এ দিনকে সাপ্তাহিক ঈদের দিন বলা হয়। জুমার দিন মুসলমানরা মসজিদে সমবেত হয়ে জুমার নামাজ আদায় করেন, আল্লাহর ইবাদতে মশগুল হন এবং নিজেদের ভুল-ত্রুটির জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন। ইসলামি বিশ্বাস অনুযায়ী, শুক্রবার এমন একটি দিন, যেদিন আল্লাহর রহমত ও ক্ষমা লাভের বিশেষ সুযোগ রয়েছে। তাই এ দিনটি শুধু আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না

জুমার দিনে যেসব আমল বদলে দিতে পারে জীবন

জুমার দিনে যেসব আমল বদলে দিতে পারে জীবন

জুমার দিন মুসলমানদের জন্য সপ্তাহের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ দিন। হাদিসে এ দিনের বিশেষ ফজিলতের কথা বর্ণিত হয়েছে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জুমার দিনের মর্যাদা উল্লেখ করে এটিকে গুরুত্বপূর্ণ দিন হিসেবে তুলে ধরেছেন। এ দিনে জুমার নামাজ আদায় করা হয়, যা ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। কোরআনে জুমার নামাজের আজান হলে আল্লাহর স্মরণের দিকে এগিয়ে যেতে এবং বেচাকেনা ছেড়ে দিতে নির্দেশ দেওয়া