
প্রকাশ: ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৭:২৬

ঢাকা-১২ আসনের মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ও আমজনতার দলের সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে উত্থাপিত আর্থিক অনিয়মের অভিযোগকে আইনি কাঠামোর আওতায় আনার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেছেন, এ বিষয়ে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই।
একটি নির্বাচনী জনসংযোগমূলক ভিডিওতে মো. তারেক রহমান দাবি করেন, ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে ৬৬৬ কোটি টাকা লুটপাটের অভিযোগ রয়েছে, যা যথাযথ তদন্ত ও বিচারের মাধ্যমে সামনে আনা হবে। তিনি জানান, জনগণের স্বার্থ রক্ষায় দুর্নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া তার রাজনৈতিক অঙ্গীকারের অংশ।
তার বক্তব্যে আরও উঠে আসে, তিনি পার্লামেন্টে নির্বাচিত হয়ে যান বা না যান—আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য ড. ইউনূসকে জবাবদিহির মুখোমুখি করা হবে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রাজনৈতিক অবস্থান নির্বিশেষে আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়।
মো. তারেক রহমান তার বক্তব্যে দুর্নীতিবিরোধী অবস্থানকে জোরালোভাবে তুলে ধরেন এবং বলেন, রাষ্ট্রের অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা জনপ্রতিনিধিদের নৈতিক ও সাংবিধানিক দায়িত্ব। অভিযোগের বিষয়ে স্বচ্ছ তদন্ত হলে প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তিনি আরও বলেন, দেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্রকে টেকসই করতে হলে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে রাজনৈতিক প্রভাব বা ব্যক্তিগত পরিচয়ের কারণে কাউকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া উচিত নয়।

নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে প্রকাশিত ভিডিওটিতে তিনি জনগণের প্রতি আহ্বান জানান, যেন তারা সৎ ও জবাবদিহিমূলক নেতৃত্ব নির্বাচনে সচেতন ভূমিকা রাখে। তার মতে, সুশাসন প্রতিষ্ঠায় জনসমর্থন একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই বক্তব্য আসন্ন নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে দুর্নীতিবিরোধী ইস্যুকে সামনে আনার একটি কৌশল হতে পারে। একই সঙ্গে এটি রাজনৈতিক বিতর্ক ও আলোচনার নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
সব মিলিয়ে, মো. তারেক রহমানের এই বক্তব্য রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে এবং ড. ইউনূসকে ঘিরে থাকা অভিযোগ নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে।