
প্রকাশ: ২৫ জুলাই ২০২০, ১:১২

ফেসবুক থেকে প্রাপ্তঃ দেশসেবায় অনন্য ছিলেন শহীদ কনস্টবল পারভেজ।মাত্র বাইশ বছর বয়সে ছিল ছেলেটার, পুলিশের কনস্টবলের চাকুরি করত।দিনে ষোল থেকে আঠারো ঘন্টা ডিউটি, ছুটি নেই। মাথার উপরে অফিসারের বকাঝকা, আর নীচে পাবলিকের গালি।এর মধ্যেই কক্সবাজার সমুদ্রের পাশে ট্যুরিস্ট পুলিশ ব্যারাকে কেটে যাচ্ছিল জীবন।
২৩ জুলাই ২০১৫ বৃহষ্পতিবার সকালে কক্সবাজারের লাবনী পয়েন্টে ট্যুরিস পুলিঃ ব্যারাকের সামনে দাঁড়িয়ে ছিল পারভেজ। না, ডিউটি শুরু হয়নি তখনও। এমনিই এসেছে সাদা পোশাকে হাটছিলো সে, অস্ত্রও আনেনি সাথে।হঠাৎ চোখে পড়ল হোটেল কল্লোলের মোড়ে একটা দৃশ্য- আরে! কি হচ্ছে ওখানে? দেখে তো মনে হচ্ছে ছিনতাই!

বুকে ছুরিবিদ্ধ হয়েও পারভেজ ছাড়লেননা ২ ছিনতাইকারীকে।পারভেজের একার লড়াই দেখে এগিয়ে এল আশেপাশের মানুষ, ধরা পড়ল ২ ছিনতাইকারী। কিন্তু ততোক্ষনে মাটিতে লুটিয়ে পড়লেন পারভেজ। পারভেজের রক্তে লাল হয়ে গেলো কক্সবাজারর গোল চক্কর মাঠের সবুজ ঘাড়। সবুজ ঘাসের উপর পারভেজের লাল রক্তে বাংলাদেশের মানচিত্র এঁকে দিয়ে চলে গেলেন নাফেরার দেশে। এতক্ষন যেই পাভেজের কথা বলছি তার পুরো নাম পারভেজ হোসেন (২২) , টুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজারের কনস্টবল ছিলেন তিনি।