
প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২০, ৩:৩২

আমাদের বাংলাদেশ। স্বপ্নের বাংলাদেশ। লাখো শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীআন বাংলাদেশ। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের আহবানে সাড়া দিয়ে ১৯৭১ সালে ধর্ম বর্ণ গোত্র নির্বিশেষে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে পাকিস্তানী বাহিনীকে পরাজিত করে ছিনিয়ে এনেছিল স্বাধীনতা। বিশ্বের বুকে লাল সবুজের মানচিত্র আজও জ্বল জ্বল করছে। সেই স্বাধীন রাষ্ট্রের সরকার প্রধান এখন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা।
আর তাকে সহযোগিতা করছেন বিভিন্ন দফতরের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ও এমপিগণ। তবে বৈশ্বিক মহামারী করোনা সক্রমনে সমগ্র বিশ্ব যখন দিশেহারা তখনই একটি চক্র ফায়দা লুফে নিচ্ছেন বা নেওয়ার চেষ্টা করছেন। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ ব্যতীত দায়িত্বশীল কেউ ওই চক্রটিকে বাধা প্রদান করছেন না।
উল্টো ওই চক্রটির অসৎ কর্মকান্ড প্রকাশ পাওয়ার সাথে সাথেই একটি বিবৃতি দিয়ে ‘শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা’ করছেন। অথচ তারা বুঝতে পারছেন না প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ পরিচালনায় যে সুনাম অর্জন করেছেন তা ক্ষুন্ন হচ্ছে। তবে কি এই ১৮ কোটি মানুষের সকল দায়িত্ব একমাত্র প্রধানমন্ত্রীর? সরকার প্রধানতো আর একা দেশ পরিচালনা করছেন না।
আমরা জানি, সব শ্রেণি পেশার মানুষের জন্যই মন্ত্রী ও মন্ত্রণালয় রয়েছে। যেমনঃ কৃষকদের জন্য কৃষি মন্ত্রণালয়, শ্রমিকদের জন্য শ্রম মন্ত্রণালয়, শিক্ষক ও ছাত্রদের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রতিবন্ধীদের জন্য সমাজসেবা মন্ত্রণালয়, নারী ও শিশুদের জন্য মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়। একই ভাবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়, তথ্য মন্ত্রণালয়, ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, আইন মন্ত্রণালয়, যোগাযোগ মন্ত্রণালয়, যুব মন্ত্রণালয়, মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয় ইত্যাদি।

শুধু চিকিৎসকই নয়, নার্স, পুলিশ, সাংবাদিকসহ অনেক শ্রেনীর পেশার মানুষও এই করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন। স্বভাবতই প্রশ্ন উঠে, তাহলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীসহ অন্যান্যদের দায়িত্ব কি?
কেননা ১৮ কোটি জনগণের জীবন-মান নিশ্চিতকরণে বিভিন্ন ধাপ রয়েছে। প্রতিটি ধাপেই একা প্রধানমন্ত্রীর নজরদারী সম্ভব নয়। তবে এও মনে করার কারণ নেই যে, প্রধানমন্ত্রীর নজরে কোন বিষয় নেই। বর্তমান সরকার প্রধান বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বাবার আদর্শে যে দূর্গম পথ পাড়ি দিয়ে আজকের অবস্থানে এসেছেন তিনি দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে অটল রয়েছেন।