
প্রকাশ: ২৫ এপ্রিল ২০২০, ২২:৫১
বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতি করোনাভাইরাস নিস্তব্ধ ও অচল করে দিয়েছে গোটা বিশ্ব। তারই ছোবলে আজ আতঙ্কে গৃহবন্দি বাংলাদেশের মানুষ। ইট পাথরের বৃহদাকার রাস্তাগুলো আজ যানবাহন ও জনমানবশূন্য। সবকিছুই যেন প্রাণহীন। বৈশ্বিক মহামারিতে রূপ নেয়া মরণঘাতি করোনা ভাইরাস সংক্রমনে ও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা চষে বেড়াচ্ছেন শরীয়তপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাহাবুর রহমান শেখ।
সংকোচে কাউকে বলতে পারছেন না তাদেরকে বিশেষ খাদ্য সহায়তা প্রদান করছেন। উপজেলাবাসীর মাঝে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করতে কখনও মানুষকে লাইনে দাঁড় করিয়ে, আবার কখনও নিজ দায়িত্বে মানুষের বাড়ির দরজায় গিয়ে গিয়ে খাবার পৌঁছে দিচ্ছেন।
উপজেলায় বহিরাগত প্রবেশ বন্ধ করতে জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহের এর নেতৃত্বে সরকারী নিদের্শনা মেনে উপজেলাকে লকডাউন ঘোষনা করেছেন। উপজেলার গুরুত্বপূর্ন স্থানে চেকপোষ্ট বসিয়ে নিরাপত্তা জোরদার করেছেন তিনি। লকডাউন ঘোষনার পূর্বেই বিভিন্ন জেলা থেকে আগত ব্যক্তিদের যত্রতত্র জায়গায় ঘোরাফেরা না করে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশনা দেন এবং তা বাস্তবায়ন করেন।
উপজেলার পাশ্ববর্তী পশ্চিমে মাদারীপুর সদর ও শিবচর, দক্ষিনে ডামুড্যা ও কালকিনি , উত্তরে জাজিরা ও নড়িয়া, উপজেলায় করোনা আক্রান্ত রয়েছে। বহিরাগত প্রবেশ করায় শরীয়তপুর সদর উপজেলায় এখন পর্যন্ত ৩ জন আক্রান্ত রয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন তথ্যের ভিত্তিতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং হোম কোয়ারেন্টাইন আইন অমান্যকারী ব্যক্তিদের সতর্কতামূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। এছাড়া নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রীর মূল্য বৃদ্ধি না করতে ব্যবসায়ীদের কঠোর নিদের্শনা প্রদান করেন তিনি।
