আর মাত্র ৬-৭ ঘণ্টার অপেক্ষা। এর পরই শ্রদ্ধা, আবেগ আর ফুলেল ভালোবাসায় ভরে যাবে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার। শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার। রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পর এখানে ফুল দিতে পারবেন সর্বস্তরের মানুষ।বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সর্বশেষ প্রস্তুতি দেখতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, বেদির রঙ আর আল্পনার কাজ শেষ। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজও শেষ। পুলিশের কড়া পাহারায় আবদ্ধ শহীদ মিনারের চারপাশ। প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের আগ পর্যন্ত কেউ ঢুকতে পারবেন না বেদিতে।
শহীদ মিনার থেকে দোয়েল চত্বরে যাওয়ার সড়কটি ব্যারিকেড দিয়ে আটকে রেখে সড়ক ধুয়ে মুছে আল্পনায় সাজাচ্ছেন চারুকলার শিক্ষার্থীরা।বিকেল থেকেই দোয়েল চত্বর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিসহ শহীদ মিনারে প্রবেশের রাস্তাগুলোতে ব্যারিকেড বসিয়ে পাহারা দিতে দেখা গেছে পুলিশ সদস্যদের। সন্ধ্যার পর থেকে বন্ধ করে দেয়া হবে সড়কগুলো।আগামীকাল শুক্রবার দেশজুড়ে পালন করা হবে শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। দিনটি পালন উপলক্ষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারসহ রাজধানীজুড়ে নেয়া হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা থাকবে শহীদ মিনারসহ এর চারপাশের এলাকা।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস যথাযথ ও সুশৃঙ্খলভাবে উদযাপনে ট্রাফিক নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। আজ (বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যা ৬টা থেকে ২১ ফেব্রুয়ারি দুপুর ২টা পর্যন্ত সবধরনের যানবাহন চালককে এ নির্দেশনা মানতে হবে।পলাশী ক্রসিং, এসএম হল এবং জগন্নাথ হলের সামনের রাস্তা দিয়ে শহীদ মিনারে প্রবেশ করতে অনুরোধ করেছে ডিএমপি। কোনোক্রমেই অন্য কোনো রাস্তা ব্যবহার করে শহীদ মিনারে প্রবেশ করা যাবে না।শহীদ মিনার দিয়ে বের হবার ক্ষেত্রে দোয়েল চত্বরের দিকের রাস্তা অথবা ঢাকা মেডিকেল কলেজের সামনের রাস্তা দিয়ে বের হতে হবে। কোনোক্রমেই প্রবেশের রাস্তা দিয়ে বের হওয়া যাবে না।
যেসব রাস্তা বন্ধ থাকবে
ক. কবরস্থান এবং শহীদ মিনারে যারা শ্রদ্ধার্ঘ্য ও পুষ্পস্তবক অর্পণ করতে যাবেন, তারা অনুগ্রহ করে অন্যদের অসুবিধার কথা ভেবে রাস্তায় বসা বা দাঁড়াতে পারবেন না;