প্রকাশ: ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৫৬

মোটরযানের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সুযোগ আরও বাড়িয়েছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত শুধু মূল কর ও প্রযোজ্য ফি পরিশোধ করে এসব কাগজপত্র নবায়ন করা যাবে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানিয়েছে। এর ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মোটরযান মালিক ও চালকরা অতিরিক্ত জরিমানা ছাড়াই প্রয়োজনীয় হালনাগাদ কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারবেন।
বিআরটিএর বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এই সুবিধার আওতায় ফিটনেস সনদ, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ মোটরযানের বিভিন্ন কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সঙ্গে মেয়াদোত্তীর্ণ ড্রাইভিং লাইসেন্সও নির্ধারিত ফি দিয়ে নবায়নের সুযোগ থাকবে।
তবে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বর্ধিত এই সময়সীমাকে শেষ সুযোগ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। তাই মোটরযান মালিক ও চালকদের ২৯ অক্টোবরের মধ্যেই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং লাইসেন্সের হালনাগাদ কার্যক্রম শেষ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে গাড়ি বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন না করার বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ২১ ধারা অনুযায়ী, মোটরযান বিক্রয়ের পর নতুন মালিকের নামে মালিকানা পরিবর্তন করা বাধ্যতামূলক।

বিআরটিএ বলছে, অনেক ক্ষেত্রে গাড়ি কেনার পর নতুন মালিক মালিকানা পরিবর্তন না করেই সেটি সড়কে ব্যবহার করছেন। এতে কোনো ধরনের আইনগত বা আর্থিক জটিলতা তৈরি হলে আগের মালিককে অপ্রত্যাশিত সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।
মালিকানা পরিবর্তন না হলে পুরোনো মালিকের ওপর অগ্রিম আয়কর, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ১৫০ শতাংশ অগ্রিম আয়কর এবং পরিবেশ সারচার্জের দায় বর্তাতে পারে। তবে বর্তমানে অনলাইন আবেদনের পর বায়োমেট্রিক যাচাইয়ের মাধ্যমে একই দিনে মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার সুযোগ রয়েছে।
পাশাপাশি সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ বাস্তবায়নে ড্রাইভিং লাইসেন্সে পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু করেছে বিআরটিএ। সংস্থাটি জানিয়েছে, আইন মেনে চলা নিশ্চিত করতে এসব পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাগজপত্র ও লাইসেন্স হালনাগাদ না করলে পরবর্তী সময়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।