ভোর থেকেই রাজধানীতে টানা ঝুম বৃষ্টিতে নগরজীবন ব্যাহত হয়েছে। বিভিন্ন সড়কে পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হওয়ায় কর্মজীবী মানুষ, শিক্ষার্থী ও সাধারণ যাত্রীদের চলাচলে দুর্ভোগ দেখা দিয়েছে। অনেক এলাকায় যানবাহনের গতি কমে যাওয়ায় সড়কে দীর্ঘ যানজটেরও সৃষ্টি হয়।
আবহাওয়া অধিদপ্তর রোববার সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ৬ ঘণ্টার পূর্বাভাসে জানিয়েছে, দুপুর পর্যন্ত রাজধানীতে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। একই সময়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায়ও দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
এদিকে আজ ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রাজশাহী, পাবনা, টাঙ্গাইল, ঢাকা, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা কিংবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এ কারণে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, ভারতের মধ্য উত্তর প্রদেশ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপ এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে সক্রিয় প্রবল মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে ১১ থেকে ১২ জুলাই পর্যন্ত কক্সবাজার, বান্দরবান, চট্টগ্রাম, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। গাণিতিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, এসব এলাকায় মোট ১০০ থেকে ৩০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।
সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, ভারী বর্ষণের কারণে কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িতে ভূমিধসের উচ্চ ঝুঁকির সতর্কতা বহাল রয়েছে। একই সঙ্গে সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।