২০২৪ সালের আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলে (জামুকা) জমা পড়া ৮৪২টি অভিযোগ যাচাই-বাছাই শেষে ৪৮১ জনের গেজেট বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে সরকারদলীয় সংসদ সদস্য এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকনের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।
মন্ত্রী বলেন, ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে জমা পড়া অভিযোগগুলো জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলে পাঠানো হয়। এরপর যাচাই-বাছাই শেষে লাল মুক্তিবার্তা ও ভারতীয় তালিকাভুক্ত ৪৮১ জনের গেজেট বাতিল করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, জামুকা প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ পর্যন্ত ১০৩টি সভার মাধ্যমে মোট ৬ হাজার ৪৬৫ জনের গেজেট বাতিলের সুপারিশ করা হয়েছে। এসব সিদ্ধান্ত যাচাই-বাছাই ও তদন্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে নেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, কোনো গেজেটধারী মুক্তিযোদ্ধার বিরুদ্ধে অমুক্তিযোদ্ধা হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেলে তা তদন্তের জন্য উপকমিটি গঠন করা হয়। শুনানি ও যাচাই-বাছাই শেষে প্রমাণিত হলে তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার সুপারিশ করা হয়।
বর্তমানে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তথ্য ব্যবস্থাপনায় সংরক্ষিত সমন্বিত তালিকা অনুযায়ী দেশে মোট ১ লাখ ৯৮ হাজার ৩৭ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন বলেও সংসদে জানান মন্ত্রী আহমেদ আযম খান।