ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের ঢলে পদ্মা সেতু ও ঢাকা–মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক চাপ। ছুটির প্রথম তিনদিনে পদ্মা সেতু দিয়ে মোট ১ লাখ ৯ হাজার ২৫টি যানবাহন পারাপার হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ।
শুক্রবার (২০ মার্চ) বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের উপপরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. মাসুদ রানা শিকদার স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ২০২৫ সালের একই সময়ে পদ্মা সেতু দিয়ে পারাপার হয়েছিল ১ লাখ ৮০২টি যানবাহন। অর্থাৎ, চলতি বছর যানবাহনের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
এছাড়া ঈদের ছুটির প্রথম তিনদিনে পদ্মা সেতু থেকে মোট টোল আদায় হয়েছে ১২ কোটি ৫ লাখ ৮৮ হাজার টাকা। ২০২৫ সালে একই সময়ে টোল আদায় হয়েছিল ১২ কোটি ৭৮ হাজার ৪০০ টাকা। টোল আদায়ের দিক থেকেও এ বছর ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে।
এদিকে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে ঘরমুখো মানুষের চাপ ছিল চোখে পড়ার মতো। ঈদের আগে ও ছুটির সময় হাজারো মানুষ দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় যেতে এই রুট ব্যবহার করেন। ফলে সেতু ও এক্সপ্রেসওয়েতে যানবাহনের চাপ কয়েকগুণ বৃদ্ধি পায়।
তবে এত বিপুল সংখ্যক যানবাহনের চাপ থাকা সত্ত্বেও বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনা বা দীর্ঘ যানজটের খবর পাওয়া যায়নি। এটি সড়ক ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা জানান, পরিকল্পিত ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা এবং আধুনিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার কারণে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হয়েছে।
সরকারের অবকাঠামো উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে ঈদের মতো সময়েও নির্বিঘ্নে যান চলাচল নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।