বাংলাদেশ সরকার আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর ও শবে কদর উপলক্ষে ১৭ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য টানা সাত দিনের ছুটি ঘোষণা করেছে। এছাড়া ১৮ মার্চ (বুধবার) মধ্যবর্তী দিনে এক দিনের বিশেষ সরকারি ছুটিও কার্যকর হবে।
রোববার (৮ মার্চ) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধি অনুবিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে সব ধরনের সেবা ও প্রতিষ্ঠান এই ছুটির আওতায় পড়বে না।
সরকারি বিশেষ ছুটির সময় জনস্বার্থে এবং জরুরি সেবা সচল রাখতে কিছু সেক্টরকে ছুটির বাইরে রাখা হয়েছে। এতে রয়েছে বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি সেবা, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরসমূহের কার্যক্রম, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন, ইন্টারনেট ও ডাক সেবা। এছাড়া হাসপাতাল ও জরুরি সেবায় নিয়োজিত চিকিৎসক ও অন্যান্য কর্মী, ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম বহনকারী যানবাহন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীরাও ছুটির আওতায় আসবে না।
সরকারি প্রজ্ঞাপনের সঙ্গে ব্যাংক ও আদালতগুলোর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণের বিষয়েও নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। ব্যাংক কার্যক্রম নিয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত জানাবে বাংলাদেশ ব্যাংক। আদালতের কার্যক্রম সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জানাবে সুপ্রিম কোর্ট।
বেসরকারি খাতের শিল্প-কারখানা ও প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ অনুযায়ী শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মেনে ছুটি প্রদান করবে। যদিও সরকারি ছুটি সাধারণত সরকারি চাকরি আইন-২০১৮ ও নির্ধারিত ছুটি বিধিমালা-১৯৫৯ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের নিজস্ব নীতিমালা অনুসরণ করে থাকে।
এভাবে সরকার সরকারি কর্মচারীদের জন্য ছুটি ঘোষণা করে ধর্মীয় অনুষ্ঠান উদযাপনের পাশাপাশি জরুরি সেবা অব্যাহত রাখার বিষয়েও সতর্কতা অবলম্বন করছে।