
প্রকাশ: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৭:৩০

নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কারের জন্য গঠিত কমিশনের প্রধান ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, দুটি সংস্কার কমিশনের পক্ষ থেকে নিম্নকক্ষের আসনভিত্তিক এবং উচ্চকক্ষের জন্য সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) পদ্ধতি প্রয়োগের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার সকালে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা জানান।
তিনি বলেন, উভয় পদ্ধতিরই ইতিবাচক এবং নেতিবাচক দিক রয়েছে। কোনোটিই ত্রুটিমুক্ত নয়, তবে দুটি পদ্ধতিই প্রয়োজন। তিনি মনে করেন, এ পদ্ধতিগুলোর সমন্বয়ের মাধ্যমে একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব হবে।
ড. বদিউল আলম আরও বলেন, দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ঐকমত্য ছাড়া কোনো গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার সফল হয় না। এজন্য সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা ও সমঝোতার ভিত্তিতে নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।
তিনি উল্লেখ করেন, আসনভিত্তিক পদ্ধতি প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে, আর সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলকে তাদের ভোটের অনুপাতে প্রতিনিধিত্বের সুযোগ দেয়।
মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে নির্বাচন ব্যবস্থার সংস্কারের দাবি উঠে আসছে। জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধার করতে একটি কার্যকরী ব্যবস্থা এখন সময়ের দাবি।

ড. বদিউল আলম জানান, একটি কার্যকরী গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য নির্বাচন পদ্ধতির আধুনিকায়ন ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে দুটি পদ্ধতির সমন্বয় দেশে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করবে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, ঐকমত্যের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো যদি সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে বাংলাদেশে একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন সম্ভব হবে।
মতবিনিময় সভার আয়োজকরা বলেন, জনগণকে সম্পৃক্ত করে নির্বাচন ব্যবস্থার সংস্কার কার্যকর করা হলে দেশের গণতন্ত্র আরও দৃঢ় হবে এবং জনগণের আস্থা বাড়বে।