
প্রকাশ: ১৩ আগস্ট ২০২৪, ০:১২

কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় পুলিশের গুলিতে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদের মৃত্যুর ঘটনায় রংপুর পুলিশের শীর্ষ দুই কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে।
রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান এবং রেঞ্জ ডিআইজি মো. আবদুল বাতেনকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে। রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান এবং রেঞ্জ ডিআইজি মো. আবদুল বাতেনকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে। অবসরে যাওয়া দুই কর্মকর্তা হলেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান এবং রেঞ্জ ডিআইজি মো. আবদুল বাতেন।
মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পৃথক প্রজ্ঞাপনে ওই দুই কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর তথ্য জানানো হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ শাখা–১–এর সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম প্রজ্ঞাপন দুটিতে স্বাক্ষর করেন।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের সদস্য ও রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. মনিরুজ্জামানকে সরকারি চাকরি আইন ২০১৮ (২০১৮ সালের ৫৭ নং আইন)–এর ৪৫ ধারার বিধান অনুযায়ী জনস্বার্থে সরকারি চাকরি থেকে অবসর প্রদান করা হলো।
রেঞ্জ ডিআইজি মো. আবদুল বাতেনকে অবসরে পাঠানোর প্রজ্ঞাপনেও একই তথ্য উল্লেখ করা হয়। জনস্বার্থে আদেশ অবিলম্বে কার্যকর করা হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়।
কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় গত ১৬ জুলাই বেরোবির সামনে পার্ক মোড়ে পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারান ২২ বছর বয়সী আবু সাঈদ। তিনি বেরোবির ইংরেজি বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। পরে সাঈদ হত্যার ঘটনায় করা মামলায় প্রথমে ১৬ বছরের এক কিশোরকে গ্রেফতার দেখানো হয়। এ অবস্থায় চাপের মুখে পরে সাঈদের ওপর গুলি চালানো এএসআই আমির হোসেন ও পুলিশ কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়কে সাময়িক বরখাস্ত করে পুলিশ লাইনসে প্রত্যাহার করা হয়।