প্রকাশ: ২৬ জুন ২০২৪, ০:৪৮
বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেছেন, ‘পুলিশ কর্মকর্তাদের সম্পদের বিষয়ে তদন্ত চলছে। তদন্তে আসল তথ্য বেরিয়ে আসবে।’ তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ পুলিশ এ দেশের মানুষের সেবা দিয়ে গর্বিত হতে চায়। এবার আমরা স্লোগান দিয়েছি ‘দেশ সেবাই আমাদের আনন্দ, সেবাই আমাদের উৎসব’। সেই সেবাকে ব্রত নিয়ে আমরা কাজ করছি।’
আজ বুধবার (২৬ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি) লাইনে সাংবাদিকদের এসব কথা কথা বলেন। পুলিশ প্রধান খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ লাইনসের চারতলা অস্ত্রাগার ভবন, ছয়তলা মাল্টিপারপাস ভবন, ৬০০ কেভিএ বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন কর্মসূচিতে অংশ নেন।
আইজিপি বলেন, ‘পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। ইতিমধ্যে এ নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। আশা করছি, বিষয়টি আলোচনার মধ্য দিয়েই নিরসন হবে।’
সাকলায়েন ইস্যুতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন আরো বলেন, ‘যে কোনো অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। আর এ কারণেই সাকলায়েনকে বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হয়েছে।’
পুলিশ প্রধান বলেন, ‘খুলনা এক সময়ে সন্ত্রাসের জনপদ ছিল। প্রধানমন্ত্রী সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছেন। সেই নীতির আলোকে আমরা দায়িত্ব পালন করছি। সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণে ভিন্নমুখী পদ্ধতি গ্রহণ করা হয়েছে।
পুলিশ সবসময় জনগণের কল্যাণে কাজ করে। পুলিশের ইউনিট প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছিটিয়ে থাকে। পুলিশের থানা প্রতিষ্ঠার পর থেকে কখনো তালা লাগানো থাকে না। সব সময় থানার দরজা খোলা থাকে। মানুষ সেখানে আসে। মানুষের সমস্যা শোনার জন্য আমরা প্রস্তুত থাকি।’
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- কেএমপির পুলিশ কমিশনার মো. মোজাম্মেল হক, পিটিসি খুলনার ডিআইজি (কমান্ড্যান্ট) মো. নিশারুল আরিফ, খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মঈনুল হক, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (এএন্ডএফ) সরদার রকিবুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোছা. তাসলিমা খাতুন; খুলনা জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাঈদুর রহমান প্রমুখ।