বিশ্ব ধরিত্রী দিবস আজ। প্রতি বছর ২২ এপ্রিল দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। সর্বপ্রথম ১৯৭০ খ্রিষ্টাব্দে মার্কিন সিনেটর গেলর্ড নেলসন ধরিত্রী দিবসের প্রচলন করেন। এ বছর দিবসের প্রতিপাদ্য—‘ক্লাইমেট একশন’। পরিবেশ এবং প্রকৃতি রক্ষার মাধ্যমে ধরিত্রীকে টিকিয়ে রাখাই এই দিবসটির লক্ষ্য।
এ বছর এমন সময় ধরিত্রী দিবস পালন হচ্ছে, যখন সমস্ত পৃথিবী কোভিড-১৯ এর করাল গ্রাসে বিপর্যস্ত। প্রকৃতি আসলে নিজের শুন্যস্থান নিজেই পূরণ করে নেয়, কারো জন্যে অপেক্ষা করে না। ধরিত্রীকে অর্থাত্ প্রকৃতিকে আমরা আমাদের কর্মকান্ডের মাধ্যমে ধ্বংসের কিনারায় দাঁড় করিয়েছিলাম। পরিবেশ এবং প্রকৃতি সংরক্ষণবিদগণের আবেদন নিবেদনে কেউ কর্ণপাত করেনি।
ধরিত্রী দিবসের ইতিহাস
১৯৬৯ সালে সানফ্রান্সিস্কোতে ইউনেস্কো সম্মেলনে শান্তি কর্মী জন ম্যাককনেল পৃথিবীর সম্মানে একটা দিন উৎসর্গ করতে প্রস্তাব করেন এবং শান্তির ধারণা থেকে উত্তর গোলার্ধে বসন্তের প্রথম দিন হিসেবে ১৯৭০ সালের ২১ মার্চ প্রথম এই দিনটা উদযাপিত হয়। প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় এক দিন পরে একটি পরিঘোষণায় অনুমোদিত হয়, যা লিখেছিলেন ম্যাককনেল এবং মহাসচিব উ থান্ট জাতিসংঘ সনদে স্বাক্ষর করেছিলেন।
এক মাস পর একটি পরিবেশগত শিক্ষামূলক দিন হিসেবে আলাদা ধরিত্রী দিবসের অবতারণা করেন যুক্তরাষ্ট্র সেনেটর গেলর্ড নেলসন। যা প্রথম সংঘটিত হয় ১৯৭০ সালের ২২ এপ্রিল। নেলসন পরবর্তীতে তার কাজের স্বীকৃতি হিসেবে প্রেসিডেন্সিয়াল মেডাল অফ ফ্রিডম পুরস্কারে পুরস্কৃত হন। যখন এই ২২ এপ্রিল ধরিত্রী দিবস হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রচলিত, তখন ডেনিস হায়েস একটা সংগঠন চালু করেন, যিনি ১৯৭০ সালে আসল জাতীয় সমন্বয়সাধক ছিলেন। যা ১৯৯০ সালে আন্তর্জাতিক রূপ পেয়েছিল এবং ১৪১টি দেশে সংগঠিত ঘটনা হিসেবে দেখা দিয়েছিল।
#ইনিউজ৭১/জিয়া/২০২১