সর্বাত্মক লকডাউনে কোন ধরণের যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল না করলেও মালবাহী আটটি ট্রেন চালু থাকবে। এসব বিশেষ পার্সেল ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। মূলত এসব ট্রেনে শাকসবজি, ফলমূল ও জরুরি প্রয়োজনের পণ্য পরিবহন করা হবে। এসব পণ্য পরিবহনে মূল ভাড়ার ওপর ২৫ শতাংশ ছাড় দেওয়া হবে। বাড়তি কোনো মাশুলও দিতে হবে না।
মঙ্গলবার রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম রেলভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান। আগামীকাল বুধবার এই বিশেষ ট্রেন চলাচল শুরু হবে। রেলওয়ে কর্মকর্তারা বলেন, গত বছরও লকডাউনের সময় বিশেষ পার্সেল ট্রেন চালু করা হয়েছিল। সেবার আম পরিবহনের জন্য ঢাকা-উত্তরবঙ্গের পথে ‘ম্যাঙ্গো স্পেশাল’ ট্রেন চালু করা হয়েছিল। এ ছাড়া করোনাকালে ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানির পশুবাহী ‘ক্যাটল ট্রেন’ চালু করে রেল কর্তৃপক্ষ।রেল কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুসারে, যেসব পথে বিশেষ পণ্যবাহী ট্রেন চলবে, সেই পথগুলো হচ্ছে ঢাকা-সিলেট ও চট্টগ্রাম-সরিষাবাড়ী, খুলনা-চিলাহাটি, ঢাকা-ঠাকুরগাঁও। এর মধ্যে ঢাকা-সিলেট ও চট্টগ্রাম সরিষাবাড়ী পথে প্রতিদিন একটি করে ট্রেন আসা-যাওয়া করবে। খুলনা থেকে চিলাহাটিগামী ট্রেনটি চলবে শনি, সোম ও বুধবার। আবার চিলাহাটি থেকে খুলনামুখী ট্রেনটি চলবে রবি, মঙ্গল ও বৃহস্পতিবার। ঠাকুরগাঁও থেকে ঢাকামুখী ট্রেনটি চলবে শনি, সোম ও বুধবার। ঢাকা থেকে ঠাকুরগাঁও যাবে রবি, মঙ্গল ও বৃহস্পতিবার। অর্থাৎ, একটা ট্রেনই একদিন পরপর দুই দিক থেকে মালামাল পরিবহন করবে।
রেল কর্তৃপক্ষ বলছে, ঢাকা-সিলেট, চট্টগ্রাম-সরিষাবাড়ী পথের পার্সেল ট্রেনগুলো কিশোরগঞ্জের ভৈরববাজার স্টেশনে বিরতি দিয়ে মালামাল ওঠানামা করা হবে। অন্যদিকে ঢাকা-ঠাকুরগাঁও, খুলনা-চিলাহাটি পথের ট্রেনের যাত্রাবিরতির স্থান হবে ঈশ্বরদী।