প্রকাশ: ১৯ মার্চ ২০২০, ৩:১০
মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণে নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করেছে ইরান। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তেহরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কের গভীরতার ভিত্তিতে বিভিন্ন দেশকে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করে এই ব্যবস্থা বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ইরানের প্রস্তাবিত কাঠামো অনুযায়ী দেশগুলোকে ‘শত্রু’, ‘নিরপেক্ষ’ ও ‘বন্ধুত্বপূর্ণ’—এই তিন শ্রেণিতে বিভক্ত করা হবে। ‘শত্রু’ হিসেবে চিহ্নিত দেশগুলোর জাহাজ হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করতে
ইরানে মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার ঘটনার পর নিখোঁজ ক্রু সদস্যকে উদ্ধারে ব্যাপক অনুসন্ধান অভিযান চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ জানায়, নিখোঁজ সেনাকে উদ্ধারে যুক্তরাষ্ট্রের স্পেশাল ফোর্সের সদস্যরা শুক্রবার রাতে ইরানের ভেতরে প্রবেশ করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভিযানের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে জানানো হয়, উদ্ধার অভিযানে ইতোমধ্যে যুদ্ধবিমানের একজন ক্রু সদস্যকে
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত নতুন মাত্রা পাওয়ায় ইরান যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল-এর বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান ঘোষণা করেছে। দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবোলফজল শেখারচি জানিয়েছেন, আগ্রাসী পক্ষ অনুতপ্ত না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ চালিয়ে যাবে তেহরান। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) দেওয়া এক বক্তব্যে শেখারচি বলেন, ইরানের সামরিক কৌশল শুধুমাত্র পাল্টা হামলার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বরং এমন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে, যাতে ভবিষ্যতে কোনো
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য হচ্ছে মিত্র দেশগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। বুধবার (১ এপ্রিল) জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ মূলত ওই অঞ্চলে মার্কিন মিত্রদের দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা উদ্বেগের প্রতিফলন। ট্রাম্পের বক্তব্য মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর আগের মন্তব্যের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ, যেখানে ইসরায়েলের নিরাপত্তা উদ্বেগকে যুদ্ধের প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল। ভাষণে ট্রাম্প
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানিয়েছে, ইরান ও তার মিত্র ‘প্রতিরোধ ফ্রন্ট’ সাম্প্রতিক হামলায় ১০০টিরও বেশি ভারী ক্ষেপণাস্ত্র ও আক্রমণকারী ড্রোন ব্যবহার করেছে। পাশাপাশি অন্তত ২০০টি রকেট নিক্ষেপ করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। আইআরজিসির তথ্য অনুযায়ী, এসব হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল ইসরায়েলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা এবং পারস্য উপসাগর অঞ্চলে অবস্থানরত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো। বিশেষভাবে বাহরাইনে যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক ঘাঁটি এবং