
প্রকাশ: ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯, ৪:২৫
আন্তর্জাতিক সময় অনুযায়ী ২০২০ সালকে সবার আগে স্বাগত জানানোর সুযোগ পেয়েছে নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ডবাসী। আতশবাজি আর হাজারো আলোকছটায় রাতের আকাশকে সাজিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানিয়েছে সেখানকার মানুষ। এর কিছুক্ষণ পরই ২০২০-কে স্বাগত জানিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। অস্ট্রেলিয়ায় ভয়াবহ দাবানলের মধ্যেই আতশবাজি, নাচ, গান আর শ্যাম্পেন ওড়ানোর মধ্য দিয়ে ২০২০ সালকে বরণ অর্থাৎ নতুন এক দশকে পদার্পণের উদযাপন শুরু হয়ে গেছে অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডে।
আতশবাজি প্রদর্শনের মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়ার সিডনি শহরের হারবার ব্রিজেও শুরু হয়ে গেছে নববর্ষ উদযাপন। কিন্তু সেই হারবার ব্রিজের পাশেই ভয়াবহ দাবানলে সমুদ্র তীরবর্তী এলাকাগুলোর আতঙ্কিত হাজারও বাসিন্দা অস্ট্রেলিয়ার পূর্ব উপকূলের দিকে ছুটছে বলে স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার পূর্ব উপকূলসহ দেশটির অনেক শহরে আতশবাজিতে বর্ষবরণ বাতিল করা হয়েছে। ভয়াবহ দাবানল থেকে জীবন বাঁচাতে হাজার হাজার মানুষ সমুদ্র সৈকতে গিয়ে শুয়ে পড়েছেন। এদিকে কয়েক মাস ধরে চলা বিক্ষোভের কারণে হংকং সরকারও ভিক্টোরিয়া হারবারে তাদের জনপ্রিয় বর্ষবরণের আয়োজন বাতিল করেছে।
সিডনির মেয়র উৎসব শুরুর আগে বলেন, ‘আমরা আশা করছি, আজ রাতে হারবারে লাখ লাখ মানুষের উপস্থিতিসহ বিশ্বের শত কোটি মানুষের নজর থাকবে সিডনিতে।’ অস্ট্রেলিয়ার শহরগুলোতে আটকে পড়া অনেকেই রক্তবর্ণা আগুন, ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন আকাশের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করেছেন। সমুদ্র সৈকতের কাছাকাছি থাকা একজনের ছবিতে অসংখ্য মানুষকে বালির মধ্যে শুয়ে থাকতে দেখা গেছে; এদের মধ্যে কারও কারও মুখে গ্যাস মাস্ক দেখা যাচ্ছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে এক অস্ট্রেলিয়ান লিখেছেন, ‘দেশের অর্ধেক যখন দাবানলে পুড়ছে তখন সিডনি কীভাবে রাতজুড়ে জমকালো আয়োজন আর আতশবাজিতে নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর ব্যাপারে অটল থাকতে পারে। এটা খুবই আশ্চর্যজনক।’ তার মতো এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন অনেকেই।
ইনিউজ ৭১/টি.টি. রাকিব