প্রকাশ: ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ৩:৩৭
সিলেবাসের বিপুল চাপ। আর সেই মানসিক চাপ থেকে মুক্তি পেতে ‘কিছু একটা অঘটন’ ঘটানোর পরিকল্পনা । আর তা করতে পারলেই এই লেখাপড়া, পাঠক্রম, সর্বোপরি হস্টেল জীবনের ‘বন্দি দশা’ থেকে মুক্তি। তাই স্কুলের এক শিশু পড়ুয়াকে পাথর দিয়ে থেঁতলে খুন অষ্টম শ্রেণির পড়ুয়ার ! পুরুলিয়ার মানবাজার থানার ঘাসতোড়িয়া সারদা শিশু মন্দির শান্তিবনে আবাসিক স্কুলে পড়ুয়ার অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশি তদন্তে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এলো। নাবালক পড়ুয়ার এমন অপরাধপ্রবণতায় হতভম্ব এই ঘটনার তদন্তে থাকা পুলিশ কর্তারা। আপাতত পুলিশি তদন্তে উঠে এসেছে, পুকুরে পড়ে গিয়ে নয়, বছর ছয়ের ওই স্কুল পড়ুয়াকে থেঁতলে খুন করা হয়েছে।
আর এই তথ্যের ভিত্তিতে ঘাসতোড়িয়া সারদা শিশু মন্দির শান্তিবনের অষ্টম শ্রেণির এক পড়ুয়াকে সোমবার আটক করেছে পুরুলিয়ার মানবাজার থানার পুলিশ। পুরুলিয়ার পুলিশ সুপার অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘এখনও পর্যন্ত তদন্তে যা পাওয়া গিয়েছে তাতে এটি একটি পরিকল্পিত খুনের ঘটনা। এই ঘটনায় যে জড়িত রয়েছে তাকে আটক করা হয়েছে।’’ সোমবার দুপুরে আটক ছাত্রকে পুরুলিয়ার শিমুলিয়া আনন্দ মঠ জুভেনাইল জাস্টিস বোর্ডের কাছে হাজির করা হয়। সেখান থেকে ওই কিশোরকে হুগলির কল্যাণ ভারতী হোমে পাঠানো হয়েছে।
মানবাজার থানার পুলিশ জানিয়েছে, ওই পড়ুয়া কিছু একটা অঘটন ঘটিয়ে দিলেই এই হোস্টেল থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ছুটি পাবে। আর সে বাড়ি ফিরতে পারবে। সেই কারণেই এই ঘটনা ঘটায় ওই অষ্টম শ্রেণির ছাত্র। আটক ছেলেটির বয়স ১৪। ১০ থেকে ১২ দিন আগে ছেলেটি এই আবাসিক স্কুলে অষ্টম শ্রেণিতে ভর্তি হয়েছিল। যে ছেলেটি মারা গিয়েছে সে ওখানে সাড়ে তিন বছর ধরে পড়ত। তার বাবা পুরুলিয়ার কেন্দা থানার সিভিক ভলান্টিয়ার।