প্রকাশ: ৮ জুন ২০২১, ১৬:৩৬
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা একটি অজ্ঞাত স্থানে আত্মগোপনে রয়েছেন এবং বাইরের বিশ্বের সঙ্গে তার যোগাযোগ অত্যন্ত সীমিত হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন গণমাধ্যম সিবিএস নিউজ। মার্কিন গোয়েন্দা তথ্যের সঙ্গে পরিচিত কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, তিনি এখন বিশেষ বার্তাবাহক নেটওয়ার্কের মাধ্যমে যোগাযোগ বজায় রাখছেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্ভাব্য নতুন করে লক্ষ্যভিত্তিক হামলার আশঙ্কায় ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বের নিরাপত্তা ব্যবস্থা কঠোর করা হয়েছে।
যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান আলোচনায় কিছুটা অগ্রগতি হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরান। তবে তেহরান স্পষ্ট করেছে, এখনই কোনো চূড়ান্ত চুক্তির আশা করা ঠিক হবে না। সোমবার (২৫ মে) তেহরানে এক নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, “আলোচনায় বেশ কয়েকটি বিষয়ে আমরা একটি নির্দিষ্ট পর্যায়ে পৌঁছেছি, তবে এর অর্থ এই নয় যে চুক্তি
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান কূটনৈতিক সমঝোতা চূড়ান্ত হতে দেরি হওয়ার মূল কারণ হলো তেহরানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পেতে সময় লাগা। তবে ওয়াশিংটন এখনো আশাবাদী যে একটি স্থায়ী ও সুনির্দিষ্ট কূটনৈতিক সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব হবে। সোমবার (২৫ মে) ভারত সফরে গিয়ে দেশটির সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এসব মন্তব্য করেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে
ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য শান্তিচুক্তি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক অঙ্গনে চলমান সমালোচনার মুখে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দাবি করেছেন, তেহরানের সঙ্গে তার প্রশাসন যে চুক্তির বিষয়ে আলোচনা করছে, তা হবে অত্যন্ত ‘ভালো ও যথাযথ’ এবং সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার আমলে স্বাক্ষরিত পরমাণু চুক্তির তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী ও কার্যকর। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে সোমবার (২৫ মে) এ
ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সংঘাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবার নিজেকে বিজয়ী হিসেবে তুলে ধরলেও বাস্তব পরিস্থিতি সেই দাবিকে ক্রমশ প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলছে। সামরিকভাবে যুক্তরাষ্ট্র কিছু উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করলেও ভূ-রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক বাস্তবতায় ট্রাম্পের ঘোষিত লক্ষ্যগুলো এখনো পূরণ হয়নি বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা। বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক বিমান হামলায় ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা দুর্বল হয়, নৌবাহিনীর বড়