প্রকাশ: ৮ জুন ২০২১, ১৬:৩৬
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য হচ্ছে মিত্র দেশগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। বুধবার (১ এপ্রিল) জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ মূলত ওই অঞ্চলে মার্কিন মিত্রদের দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা উদ্বেগের প্রতিফলন। ট্রাম্পের বক্তব্য মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর আগের মন্তব্যের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ, যেখানে ইসরায়েলের নিরাপত্তা উদ্বেগকে যুদ্ধের প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল। ভাষণে ট্রাম্প
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানিয়েছে, ইরান ও তার মিত্র ‘প্রতিরোধ ফ্রন্ট’ সাম্প্রতিক হামলায় ১০০টিরও বেশি ভারী ক্ষেপণাস্ত্র ও আক্রমণকারী ড্রোন ব্যবহার করেছে। পাশাপাশি অন্তত ২০০টি রকেট নিক্ষেপ করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। আইআরজিসির তথ্য অনুযায়ী, এসব হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল ইসরায়েলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা এবং পারস্য উপসাগর অঞ্চলে অবস্থানরত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো। বিশেষভাবে বাহরাইনে যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক ঘাঁটি এবং
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে যুদ্ধে সরাসরি সম্পৃক্ত হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেলপথ হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্রদের সম্ভাব্য সামরিক অভিযানে সহায়তার পরিকল্পনা করছে দেশটি। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়। প্রতিবেদনে বলা হয়, আমিরাত ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ ও এশিয়ার কয়েকটি দেশকে নিয়ে একটি বহুজাতিক জোট গঠনের
বিতর্কিত বক্তব্যের অভিযোগে বাংলাদেশের জনপ্রিয় ধর্মীয় বক্তা মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারি–এর ভিসা বাতিল করেছে অস্ট্রেলিয়া সরকার। অ্যাডলফ হিটলারকে প্রশংসা এবং ইহুদিদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল। প্রতিবেদনে বলা হয়, অনলাইনে প্রায় এক কোটি অনুসারী থাকা এই ধর্মীয় বক্তা এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য ও পশ্চিমা প্রবাসী মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে নিয়মিত বক্তৃতা দিয়ে থাকেন। অস্ট্রেলিয়া
ইরান যুদ্ধের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে বড় ধরনের মতপার্থক্য স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। বুধবার (১ এপ্রিল) ওয়াশিংটন ও তেল আবিব থেকে দেওয়া পৃথক বিবৃতিতে দুই মিত্র দেশের ভিন্ন অবস্থান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তেহরানের সঙ্গে কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তি ছাড়াই আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র তাদের সামরিক অভিযান শেষ করতে পারে।