
প্রকাশ: ৪ আগস্ট ২০২১, ১:৫৮

এর আগে, বিকালে পরীমনির বাসায় ‘সুনির্দিষ্ট কিছু অভিযোগের’ ভিত্তিতে অভিযান চালায় র্যাব। অভিযান চালানোর পর তাকে সেখান থেকে আটক করা হয়।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ঢাকার বনানী ১৯/এ সড়কের ১২ নম্বর বাড়ির পাঁচতলাতে থাকেন চিত্রনায়িকা পরীমনি। পাঁচতলার এ ফ্ল্যাটটি নামীদামী মদের বোতলে ঘেরা ও বারের আদলে সাজানো। জানা গেছে এই বাসাতেই নিয়মিত মদের আসর বসাতেন তিনি। চলত পার্টি ও গান-বাজনা।
পরীমনির বাসার ড্রইংরুমে ঢুকতেই হাতের বাম পাশে দেখা যাবে কাচঘেরা বিশাল ঘর। এ ঘরেই তাকে সাজানো সারি সারি বিদেশি ব্রান্ডের মদের বোতল। আবার কিছু বোতল কাত করে শুইয়ে রাখা হয়েছে। ছোট ছোট টেবিলের উপরও রাখা আছে মদের বোতল। আর মদ খাওয়ার জন্য রয়েছে বিভিন্ন ডিজাইনের গ্লাস। যারা মদ খাননি তারাও পরীমনির বাসার এই চাকচিক্য আর আভিজাত্য দেখে অবাক হয়ে যাবেন।

কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি
কাচঘেরা এ বিশাল ঘরজুড়ে মদের বোতল আর মদ খাওয়ার প্রয়োজনীয় উপকরণ স্থানে স্থানে গোছানো আছে। বিভিন্ন সাইজের আর ডিজাইনের গ্লাস দেখলে যে কেউ বিমোহিত হয়ে যাবেন। তৃষ্ণা বাড়বে পানীয়প্রিয়দের। পরীমনির বাসায় গেলে যারা কখনোই মদ পান করেননি তারাও চাকচিক্য, আভিজাত্য আর নামিদামি ব্র্যান্ডে বিমোহিত হয়ে এক চুমুক খেতে চাইবেন।

অভিযানে র্যাবের প্রতিনিধি দল পরীমনির বাসায় গিয়ে দরজা খুলতে বললে- তিনি তাদের পরিচয় জানতে চান। এমনকি কোন থানা থেকে তারা এসেছেন তা জিজ্ঞেস করেন। পরে নিজের নিরাপত্তার স্বার্থে ফেসবুক লাইভে এসে মিডিয়া ও সহযোগীদের সহযোগিতা কামনা করেন।
ফেসবুক লাইভে পরীমনি বলেন, আমার বাসার দরজায় অপরিচিত লোকজন এসেছেন। কিন্তু তারা কোন থানা থেকে এসেছেন জিজ্ঞেস করি। কিন্তু তারা পুলিশ পরিচয় দিচ্ছেন, তবে কোন থানা থেকে তারা এসেছেন সেটি বলছে না। শুধু দরজা খুলতে বলছেন তারা।
তিনি বলেন, এখন নিজের ঘর নিজের কাছেই জেলখানা মনে হচ্ছে। সব জল্পনা-কল্পনা শেষে পরীমনি ঘরের দরজা খুলে দেখেন র্যাবের একটি দল এসেছেন।
পরীমনি দীর্ঘদিন ধরে আলোচনায় রয়েছেন। কিছুদিন আগে ঢাকার সাভারের বোট ক্লাবে যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন অভিযোগ করে আলোচনায় আসেন তিনি। সে ঘটনায় কয়েকজন গ্রেফতারও হয়েছিলেন, তারা আবার জামিনও পেয়েছেন। এর মধ্যেই আবার একাধিক ক্লাবে পরীমনির ভাঙচুরের অভিযোগ করেন সংশ্লিষ্টরা।
সম্প্রতি রাজধানী থেকে পিয়াসা ও মৌ নামে দুই মডেল গ্রেফতার হয়েছেন। তাদের বাসায় বিপুল মদ ও ইয়াবা পাওয়া গেছে।