ইংরেজি ও গণিত বিষয়ে শিক্ষার্থীদের ফেলের হার বাড়ার কারণে এসএসসি পরীক্ষায় সার্বিক পাসের হার কমে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকার চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান।
সোমবার সকালে সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বলেন, সব শিক্ষা বোর্ডের ফলাফল পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, তিনি ও তাঁর সময়ের শিক্ষার্থীরা যখন পরীক্ষা দিয়েছেন, তখন থেকে এখন পর্যন্ত ইংরেজি ও গণিত—এই দুটি বিষয়ে ফেলের হার বাড়ছে এবং পাসের হার কমছে।
সোমবার চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এবার সারাদেশে গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী।
তবে গত বছরের তুলনায় এবারের ফলাফলে পাসের হার ও জিপিএ-৫ উভয় ক্ষেত্রেই পতন ঘটেছে। ২০২৫ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সারাদেশে গড় পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। ওই বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন শিক্ষার্থী।
হিসাব অনুযায়ী, গত বছরের তুলনায় এবার গড় পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ২০ শতাংশ পয়েন্ট। একই সঙ্গে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কমেছে ২২ হাজার ৩৫৬ জন।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের বক্তব্য অনুযায়ী, দীর্ঘ সময় ধরে ইংরেজি ও গণিত বিষয়ে শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা পরীক্ষার ফলাফলে প্রভাব ফেলছে। ফলে এই দুই বিষয়ে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বাড়ানোকে পাসের হার উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে দেখা হচ্ছে।
তিন কর্মসূচি ঘিরে জবিতে অনির্দিষ্টকালের নিষেধাজ্ঞা জারি
এবারের ফল প্রকাশের পর সার্বিক পাসের হার কমে যাওয়ার কারণ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এর মধ্যেই ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ইংরেজি ও গণিতে ফেলের হার বৃদ্ধির বিষয়টি ফলাফলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে তুলে ধরেছেন।