
প্রকাশ: ৩০ অক্টোবর ২০২১, ০:২৫

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে আহত হয়েছেন তিনজন। শনিবার সকাল ৯টার দিকে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার জেরে কলেজ কর্তৃপক্ষ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে। পাশাপাশি সন্ধ্যার মধ্যে শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
শনিবার (৩০ অক্টোবর) সাংবাদিকদের এতথ্য জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. শাহেনা আক্তার। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের বিকেল ৫টার মধ্যে হল ছাড়তে হবে।
এছাড়া ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির প্রধান করা হয়েছে সার্জারি বিভাগের প্রফেসর মতিউর রহমানকে। কমিটিকে আগামী সাত দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ছাত্রদেরকে বিকেল পাঁচটার মধ্যে হল ছাড়তে হলেও ছাত্রীরা পরেও যেতে পারবে। কারণ দূরের জেলায় বাড়ি এমন অনেক ছাত্রী আছে।
কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি
অধ্যক্ষ বলেন, তদন্ত কমিটির রিপোর্টের পর কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া সংঘর্ষের ঘটনায় আহত হয়ে একজন হাসপাতালে ভর্তি আছে। যেহেতু একজন আহত হয়েছে সে কারণে পুলিশের সঙ্গে কথা বলছি। এ ঘটনায় আইনগত যে ব্যবস্থা নেওয়া যায় সে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংঘর্ষে জড়ানো একটি পক্ষ চট্টগ্রাম নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দিন ও আরেকটি পক্ষ শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চোধুরী নওফেলের অনুসারী হিসেবে পরিচয় দেয় বলে জানা গেছে।
নগরীর পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহিদুল কবির বলেন, শুক্রবার রাতের তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে শনিবার সকালে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে ঝামেলা হয়। এতে কয়েকজন আহত হয়েছেন। কী কারণে এ ঘটনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নুরুল আলম আশেক বলেন, মেডিকেল কলেজে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষ হয়েছে। পরিস্থিতি এখন আমাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আহত কয়েকজনকে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।